লেখক : অভিজিৎ হালদার
বুকের পাঁজর চিরে নামে এক হৃদ-রক্তিল নদী,
যেখানে আমরা ডুবে মরি কোন এক মায়া-অবলুপ্তিল নিরবধি।
রণক্ষেত্রের ধুলোয় ভাসে শত শহীদের অশ্রু-বীজিল দীর্ঘশ্বাস,
সভ্যতা আজ এক কংক্রিট-কঙ্কালিল শ্মশান, যেখানে মানুষ বড়ই তটস্থ-ত্রাস।
তোমার চোখে ছিল এক নীলিম-জাদুল সম্মোহন,
এখন সেখানে কেবল শূন্য-ধূসরিল নির্বাসন।
পৃথিবীর সমস্ত ট্যাঙ্ক আর বারুদ কি মেটাতে পারে এক মাতা-হাহাকারিল তৃষ্ণা?
নাকি আমরা সবাই এক পতন-উন্মাদিল খেলায় হার নেমেছি, নেই আর কোন সহিষ্ণুতা।
একাকিত্ব এক মৌন-পাষাণিল স্তব্ধতা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে দরজায়,
যেখানে সময় শুধু আয়ু-ক্ষয়িল করাত দিয়ে আমার সত্তাকে কেটে যায়।
প্রকৃতি আজ এক প্রতিশোধ-মূর্তিল দেবী, যার চোখে অরণ্য-ক্রন্দনিল ক্ষোভ,
মানুষ কেড়ে নিয়েছে তার সবটুকু সবুজ-প্রাণিল বৈভব আর লোভ।
প্রেমিকা, তোমার ওই ওষ্ঠ-উষ্ণিল ছোঁয়ায় ছিল কি কোন যুদ্ধের বিরতি?
নাকি তুমিও ছিলে এক বিচ্ছেদ-প্রলয়িল ঝড়ের করুণ পরিণতি?
মৃত্যু আসছে এক শান্ত-শীতলিল কুয়াশার চাদর গায়ে জড়িয়ে,
আমাদের সমস্ত অহংকার আর দম্ভ-পঙ্কিল ইতিহাসকে ধুলোয় হারিয়ে।
আমি খুঁজে ফিরি এক আলোক-অঙ্কুরিল ভোর এই গাঢ় অন্ধকারে,
যেখানে ভালবাসা আর রক্ত-মাধুরিল মিলন ঘটবে কোন এক নতুনের তীরে।
মহাবিশ্বের এই বিরাট-বিমূর্তিল ক্যানভাসে আমরা কেবল এক ফোঁটা অস্তিত্ব-জলিন,
যারা মিশে যেতে চায় কোন এক মহাজাগতিক-শূন্যিল গহীনে।।
লেখক পরিচিতি : অভিজিৎ হালদার
অভিজিৎ হালদার , মোবারকপুর , নদীয়া জেলা

