চমৎকার
লেখক : প্রভঞ্জন ঘোষ
জল চেয়েছি খাওয়ায় জন্য
পরিশ্রুত, টলটলে,
তাই দিলে জল অফুরন্ত
ভরিয়ে চতুর্দিক শিলে!
ঘাস চেয়েছি শোওয়ার জন্য
সবুজ-সবুজ মখমলে,
ঘাস ঠিকই তো, আস্ত গাঁটের
জোগাড় করে বাঁশ দিলে।
ছাদ চেয়েছি মাথার উপর
যাহোকটুকু তা সম্বল,
ছাদ …
জল চেয়েছি খাওয়ায় জন্য
পরিশ্রুত, টলটলে,
তাই দিলে জল অফুরন্ত
ভরিয়ে চতুর্দিক শিলে!
ঘাস চেয়েছি শোওয়ার জন্য
সবুজ-সবুজ মখমলে,
ঘাস ঠিকই তো, আস্ত গাঁটের
জোগাড় করে বাঁশ দিলে।
ছাদ চেয়েছি মাথার উপর
যাহোকটুকু তা সম্বল,
ছাদ …
সূর্য ধুঁকছে।
সময় তখন জ্বলন্ত চিতায়
হাতে অনুপস্থিতির ভিক্ষাপাত্র
চেতনার অদৃশ্য নাভিতে
দাহ হচ্ছে মুহূর্তরা।
উড়ে যাচ্ছে ঠিকানাবিহীন ছাই
গলে পড়ছে দীর্ঘ ভ্রম — অহং
লেখক পরিচিতি : শৌনক ঠাকুর
শৌনক ঠাকুর। গ্রাম পোঃ দক্ষিণখন্ড থানা …
প্রস্থান মানে চলে যাওয়া নয়
স্মরণে বরণে জাগ্রত করে রাখা
ছায়াসাথী করে পিছু পিছু রাখা
অদৃশ্যর মাঝে সুদূর ভবিষ্যত রাখা
প্রস্থান মানে ভুলে যাওয়া নয়
মূল্যহীন বার্তাগুলি বাণী করে রাখা
স্মৃতিগুলি ব্যাকুল পাতায় আকুল রাখা
অশ্রুসিক্ত …
দিগন্ত ছুঁয়ে ছিল তোমার সাহসী স্বপ্ন
সাগরের ঢেউ এসে ভিজিয়ে দিল
তোমার শরীর
তোমার মাথার চুল
নগ্ন পা
অশান্ত মন,
অচেনা কোন আকাশের রঙ পাল্টে পাল্টে
তোমার আকাশে রঙ ছড়ায়
অচেনা হালকা বাতাস গতি বাড়িয়ে
সাগর …
বৃষ্টিমাখা প্রেমের ক্ষণে
হাতটি রাখো আমার হাতে,
হারিয়ে যাব দূর অজানায়
এই মোহময় শ্রাবণ রাতে।
অল্প কিছু বলবে তুমি,
অল্প আমি কইব কথা,
মুছে যাবে আকাশ হতে
মেঘবালিকার সকল ব্যথা।
বাস্তবে যা পাওয়া কঠিন
কল্পনাতেই রঙ ছড়ায়,…
বর্ষা এল নদীর দেশে
গ্রীষ্মের খরা শেষে,
পাখি উড়ে খুশির তালে
মাছ আসে জেলের জালে।
আম, কাঁঠাল পাকে
প্রতিটি গাছের বাঁকে,
কাঠবিড়ালির ধারালো দাঁত
অল্পই বাকি রাখে।
মেঘ ডাকে গুরুম করে
গগন চিরে অশ্রু ঝরে,
পুকুর …
চলে যাবে বলে হাত ছেড়েছ
খিড়কি দিয়েছ মনে,
হৃদয় দুয়ারে অন্য পথিক
ডেকেছ সংগোপনে,
লীলাবতী তুমি লীলা করেছ
অনিন্দ্য আশ্রমে।।
যেতে পার তুমি অনায়াসে
দোদুল দোলায় দুলে,
চোখের পলকে সুচতুর রেখা
এসেছিলে পথ ভুলে।
ডাকব …
বিষণ্ণ বিকেল ধীরে ধীরে একলা গোধূলি হয়,
কোলাহলহীন সন্ধ্যার বারান্দায় ছড়িয়ে দেয় মনখারাপের চেনা–অচেনা রঙ।
একসময় ভাবতাম—মনখারাপের আবার রং হয় নাকি!
সে তো শুধু মেঘলা চুলে ঢাকা অমাবস্যা,
নিষিদ্ধ আলোয় সবুজ পাতা, নিজস্বী আঁকে সারা শরীরে।…
রথের মেলায় গিয়ে খোকা
দারুণ খুশি পাচ্ছে
জিলিপি আর ঘুগনি মটর
কত কিছু খাচ্ছে।
সবার সাথে রথের দড়ি
টানছে খোকা একা
বৃষ্টি কাদায় মেলায় পেল
জগন্নাথের দেখা।
ইঁলশেগুঁড়ি আম-কাঁঠালের
গন্ধে ভরে আছে
নদীর পাড়ে মেলার আলো…
জীবন সে তো এক নিমেষের
কান্না-হাসির রঙ্গ বেশ,
আজকে হঠাৎ কুড়িয়ে পাওয়া,
ক্ষণিক পরেই নিরুদ্দেশ।
তেমনভাবে আঁকড়ে ধরেও
ছাড়তে হবে শেষের দিন,
হিসেব-নিকেশ মিটিয়ে দিয়ে
সাঙ্গ হবে সকল ঋণ।
এই তো সেদিন চোখ মেলে
খুব বুকটি …
যে শব্দে বধিরতা নেই
সে সমুদ্র হতে পারে না
খুঁজে পেতে পারে না অতলের ছেদরেখা
হৃদয় তো চূড়ান্ত তলদেশ
যাকে ছুঁতে জানলে
বৃক্ষ হয়ে ওঠে জীবন
জীবনই শব্দ-ব্রহ্ম! সৃষ্টির মায়াজাল
নীরব যাপনেও যে প্রকট হতে থাকে…
গভীর রাতের সমুদ্রের মত তুমি কখনও উত্তাল।
আবার কখনও ভোরের নদী, খেলতে থাক
দিগন্তে মিলিয়ে যাওয়া নীল-সাদা মেঘের আড়ালে।
আমি শুধু আমার মাঝে হারিয়ে গেছি বারবার।
তোমার পায়ের শব্দে কতবার ঘুম ভেঙেছে।
বিকেলের পড়ন্ত আলোয় অনেক …
মাসিক দীপায়ন প্রতিযোগিতা
