না বলা কথা
লেখক : তীর্থঙ্কর সুমিত
শেষ পর্যন্ত যে কথাটা বলার ছিল
সেটা বলা হ’ল না
শেষ অঙ্কে আটকে গেল সময়
উদাস বাউল একাকী নিজেকে…
এখন কালোকে আরও কালো করার লড়াই
সময়ের নীলে বক বসে, মাছ খায়, উড়ে যায়
পরে থাকে ছেঁড়া …
শেষ পর্যন্ত যে কথাটা বলার ছিল
সেটা বলা হ’ল না
শেষ অঙ্কে আটকে গেল সময়
উদাস বাউল একাকী নিজেকে…
এখন কালোকে আরও কালো করার লড়াই
সময়ের নীলে বক বসে, মাছ খায়, উড়ে যায়
পরে থাকে ছেঁড়া …
ঘুম থেকে জন্ম হয় গাঢ়তর কোনও ঘুমের
খুঁজে পাই সমুদ্রের নীলে…
স্বপ্নে লেগে থাকে সফেন মায়া-
ঘুমের মধ্যে চমকে ওঠা শিশুর
মত সকালের আলো হঠাৎ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ল ঘরে; আলপথ ধরে হেঁটে যেতে যেতে দেখি কলমীলতাটি বড় …
বরং জীবনকে আমি খুব সহজভাবে নিয়েছি।
কষ্ট-দুঃখ-বেদনাগুলোকে দূরে রেখে সব সময় ভাল থাকতে চেয়েছি।
মাঝেমধ্যে প্রচুর আনন্দকে দূরে ঠেলে দিয়ে একাই থেকেছি।
কিন্তু, জীবনের বিষাদভরা সময়গুলো এখনও কেমন জানি পিছু ছাড়ল না।
বারবার অবহেলা, বুকভরা …
আমি নিঃশব্দে দাঁড়ালে,
নীলকণ্ঠ পাখির পালক
ছাড়িয়ে যায় সীমারেখা…
ক্ষণিক কথা বলে সপ্ত সীমায়
তখন আকাশ ধরা দেয়
পথে,
নিঃশেষ মাথা তোলে শ্বেত পদ্ম
এবং গৃহীত অনুষ্টুপ
শেষ পর্যন্ত তাই থমকে দাঁড়ায় সময়।
আমি ছায়ায় …
১. আত্মবিভ্রম-১
অক্ষরে স্বজনহানা, বলিনি আমি কত চৌচির-
শিকড়ে স্মৃতির রোশনাই, প্রেম আজ মাটি-মন্দির।
মগ্নপ্রায় শীতে আজ মাথানত বাতাসের চমক-
আরোগ্যের স্পৃহা হুলের ডগায় ভেসে ক্ষুণ্ণ, আহাম্মক!
যেন বিষধর করে রাখা ত্রিকালের চিবুকে আমি খুনি-…
চিন্তা যখন গভীর হয় চেপে মাথা ধরে,
রাগ মাথায় কাজ করে পস্তাতে হয় পরে!
সমাধানের উপায় কভু মাথায় আসে না,
মাথায় তোলা ছেলেকে কেউ ভালবাসে না!
মাথা খারাপ লোক হলে বলে সবে পাগল,
মাথামোটা গর্দভকে …
জলের ধারে যাই চলো অরিন্দম এখানে বড় ভিড়
অকারণ কৌতুহলী চোখে নিশ্বাসে বারুদের গন্ধ লাগে
ওই প্রিন্সেপঘাট, গঙ্গা বয়ে যায় সাগরের নির্লিপ্ত রাগে
মাঝির কাছে যাই চলো অনর্গল গল্প শুনি তরণীর।
গঙ্গাসাগর নয় চলো স্মৃতির সাগরে …
এই জীবনে আর হ’ল না আমার ভাল থাকা
জানি না কেন এই নিয়তি আমার হাজারো কলঙ্কে মাখা।
এই জীবনে হ’ল না কোন দেবদূতের আগমন
প্রতিমুহূর্ত দুঃখ আর কষ্টকে করতে হ’ল বরণ
এই জীবনে পাওয়া হ’ল না …
তিনটি মনের একটিই পথ, গন্তব্য তার এক,
একজনের বুকে শ্রাবণ ধারা, অন্যজন নির্বাক।
আকাশ ভালবাসে নীলাকে খুব, উজাড় করে মন,
নীলা খোঁজে আরিয়ানকে, একলা সারাক্ষণ।
আরিয়ান বাঁচে বন্ধুত্বের দায়ে, বুকের ভেতর ক্ষত,
সে হাসিমুখে সব বিলিয়ে …
এমন তো মাঝে মধ্যেই হয়ে থাকে–
যখন অস্তমিত সূর্যালোকের রঙ-বেরঙের
স্রোতে, ভাসমান মেঘরাশি গুনতে গুনতে গোধূলির আমন্ত্রণে পায়ের কাছে নামে ঘন অন্ধকারের ছায়া।
রবি ঠাকুরের গানে আচ্ছন্ন মস্তিষ্ক খুঁজে বেড়ায়
পশ্চিমাকাশের শুকতারার পুরনো ছায়াপথ।
ঘুমের ঘোরে …
রাত কত হ’ল?
এ প্রশ্ন যেন পৃথিবীর আলো না দেখা মৃত এক ভ্রূণ,
ভূমিষ্ঠ হওয়ার কথা ছিল যাদের হাত ধরে
তারা আজ রোদ্দুর মাপে অন্ধকারে।
দিনের আকাশও মেঘে ঢাকলে অন্ধকার হয়,
এই অজুহাতে
হিসেবি নৌকার নাবিকেরা…
জীবন যাপন হয়ে যাক ঠিকঠাক
যে ফুল যে রঙে, দেখে মন ভরে যাক।
রুদ্র যে নদী এখন আজকে ভূবনে
এই মূর্তিতে নদী ঠিকঠাক চলনে।
তপনের তাপ হবে কম বেশী, জানি তো
জানি বলেই তো সব ঠিকঠাক …
মাসিক দীপায়ন প্রতিযোগিতা
