লেখক : রতন চক্রবর্তী
ধূসর সময় বেয়ে সময় নিজেই সুবাস ছড়ায়
এ দ্বীপে ও দ্বীপে।
বনভূমি থেকে দুখ পাখি কাকভোর আকাশ ভিজিয়ে আঁধার
দরিয়ায় তালাশ করে তৃষ্ণার্ত
কোন সে প্রেমিকাকে?
আমি তো তোফা আছি মসিঢালা
হৃদয়কন্দরে একা একা
প্রলয়বাণ সামলে
পাকা ঠিকানা খুঁজে মুখ বুজে।
ভগ্নহৃদয়ের ফোঁকর গলে এক ঝলক রোদ্দুরের সঙ্গে ঝাপটা মারে
কোন সে গোলাপ সুবাস?
কার হঠাৎ উপস্থিতি নিয়ে যাবে মোরে কোন মায়াবী গন্তব্য খুঁজে
তোমার চোখ আমায় ডাকে বলে!
অন্য চোখ দেখে আমি কাকে ছাড়ব?
কার হাসি কার পরমায়ু বাড়িয়ে নিদ্রা কাড়ে, বিশ্বাস লোটে
সে কি তা জানে?
এমন আশা করাও কি অন্যায় নয়!
তোমার প্রেমে বানভাসি হব আমি
আমার প্রতিটি দিন, প্রতিটি নিদ্রাহারা রাতে দেখে যাব
তোমার অনন্ত বিদায় সোহাগ রাতে
আমার ধূসর সময়ের ধারাপাতে।
লেখক পরিচিতি : রতন চক্রবর্তী
অর্ধশতক সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন। দৈনিক, সাপ্তাহিক বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় চাকরির পাশাপাশি কাজ করেছেন বিদেশি দূতাবাসের কলকাতা তথ্য দপ্তরে। তথ্যচিত্র পরিচালনা করেছেন। লিখেছেন ছোট গল্প, নাটক চিত্রনাট্যও। মার্কসীয় দর্শনে বিশ্বাসী। জন রিডের টেন ডেজ দ্যাট স্যুক দ্য ওয়ার্ল্ড নামে রুশবিপ্লবের দশ দিনের কাহিনি নিয়ে বিশ্বখ্যাত রিপোর্টাজ গ্রন্থ অবলম্বন করে লিখেছেন নাটক অভ্যুত্থান যা ৭৪ জন কুশীলব নিয়ে অভিনীত হয়।