লেখক : শিবানী ভট্টাচার্য বন্দ্যোপাধ্যায়
উপলব্ধির শেষে শান্তি আসলে
কবিতার পাণ্ডুলিপির অক্ষর
ডানা মেলে ছন্দের আকাশে
তিন ভুবন দূরে দাঁড়িয়েও
দেখা যায় সেই উড়ান
তবু পদ্মের পাপড়ি ছিঁড়ে ছিঁড়ে
পৌঁছাতে হয় অন্দরমহলে
সেই অন্দরমহলেই সুখের বৃষ্টি
আমি সেখান থেকেই চলে যাই
অনাহতের বোধি চূড়ায়…
লেখক পরিচিতি : শিবানী ভট্টাচার্য বন্দ্যোপাধ্যায়
লেখিকার পূর্বপুরুষরা ছিলেন হাওড়ার পায়রাটুঙ্গির প্রখ্যাত জমিদার। এঁরা ভাদুড়ী হলেও শোনা যায় - বর্ধমান রাজপরিবারে সূত্রে ভট্টাচার্য উপাধি পান। সেই সূত্রে লেখিকার পিতামহ ভট্টাচার্য ব্যবহার করতেন। সেই পরম্পরাই বহমান। লেখিকার জন্ম হাওড়ার বালিতে। উচ্চশিক্ষা পুরোটাই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। কর্মসূত্রে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন এবং বিবাহ সূত্রে নদিয়ার রানাঘাটে আসা। প্রতিমুহূর্তের সঙ্গী শাস্ত্র চর্চা, কবিতা লেখা, গ্ৰন্থ পাঠ, সংগীত চর্চা এবং কিছুটা লেখা লিখির চেষ্টা। সম্পাদিত পত্রিকা – কবিতা প্ৰয়াস।

