লেখক : সুবীর সেনগুপ্ত
জীবন যাপন হয়ে যাক ঠিকঠাক
যে ফুল যে রঙে, দেখে মন ভরে যাক।
রুদ্র যে নদী এখন আজকে ভূবনে
এই মূর্তিতে নদী ঠিকঠাক চলনে।
তপনের তাপ হবে কম বেশী, জানি তো
জানি বলেই তো সব ঠিকঠাক মানি তো।
আষাঢ় শ্রাবণে ঘন বর্ষাই ঠিকঠাক
পৌষ আর মাঘে ঠাণ্ডায় নই হতবাক।
আগ্নেয়গিরি মাঝে মাঝে জেগে উঠবে
আবার সময়ে ঠিকঠাক শুয়ে পড়বে।
যেখানে যেমন পাহাড় গড়েছে প্রকৃতি
এসব ঠিকঠাক মেনেও নিয়েছে অদিতি।
ঠিকঠাকভাবে সকলে থাকতে চায়
নিজ ভাবনায় পরিকল্পনা করে নেয়।
সুস্থ শরীরে সবকিছু বেশী ঠিকঠাক
বিপরীত হলে, বিষণ্ণতা দেয় ডাক।
সুরে না গাইলে ঠিকঠাক বলা যায় না
তালে না নাচলে তাও ঠিকঠাক হয় না।
ঠিকঠাক ঘুষি লাগাতে পারলে, জিত
অন্যথা হলে শুয়ে পড়ে হবে চিত।
বকা ঠিকঠাক হলেই তো হবে গণ্য
অযথা বকলে হয়ে যাবে বকা বন্য।
ঠিকঠাক অনুমান হলে, হবে বাজিমাত
যখন বেঠিক, দিন হয়ে যাবে রাত।
যে যাই বলছে, সব ঠিকঠাক ভাবছে
তা যে ঠিক নয়, একথাও পরে মানছে।
কেন ঠিক নয় আয়নায় নিজ বিম্ব
যাঁরা মানবে না, পাবেই অশ্বডিম্ব।
আমি ঠিকঠাক, যদি করে যাই দাবী
এই দাবী হবে ভুলভাল এক ছবি।
ঠিকঠাক ভাবা শক্ত মনের পরিচয়
ভাবতে পারলে, সহজ হবেই জয়।
লেখক পরিচিতি : সুবীর সেনগুপ্ত
অবসরপ্রাপ্ত জীবন। লিখতে ভালো লাগে তাই লিখি।

