দাঁড়িপাল্লা

লেখক : ইন্দ্রাণী তুলি

“মুখ তোল সুভা, ভাল করে দেখ। শুভদৃষ্টির ক্ষণ কি বার বার আসবে?”
রাঙামামীর অনুরোধে অপরিচিত মানুষটির চোখে চোখ রাখল সুভাষিনী। সুভার চোখ ছাপিয়ে জল নামল। চোখ নামিয়ে নিয়ে ইতি উতি খুঁজে বেড়াল সেই শ্যামল মুখখানাকে।

“ওরে ও হাড়হাবাতে মুকপোড়া মিনসে! মরবি রে তুই ওলাউটো হয়ে, মুকে রক্ত উটে। খা তুই ওই আমসত্ত্ব।”
“উফ!” পিসিমার চিৎকারে সকাল শুরু হয়ে রাতও এসে যায়, বুড়ি পারে বটে। আলোচালের সেদ্ধভাত, সে’ও শুধু একবেলা! তাইতেই তাঁর যা গলার জোর। বই রেখে উঠলেন বিধুশেখর।
“কী হলো পিসিমা, সক্কাল সক্কাল কাকে গাল পাড়ছ?”
“অ মা, বিদু যে! তোর নেকাপড়ার অসুবিদে কল্লুম বুজি? আর বলিস কেন, পাশের ওই ঘোষেদের মাণিক! কতদিন ধরে আমের কাৎ বার করে করে আমসত্ত্ব দিচ্চি। তা সে হতভাগা পাঁচিল টপকে এসে, দেক না দেক খেয়ে যাচ্চে। এঁটোকাটা, বাসি – কোনরকম আচার বিচের নেইকো। আরে হতে দে, তোদের জন্যিই তো কচ্চি বাপু।”
“তা সে আবার মিনসে কীগো? সবে তো বারো। ওদের জন্যেই যখন করছ, খাক না।”
কেউই কিন্তু বুঝতে পারে না যে এই আমসত্ত্ব চুরি করে তাদেরই বাড়ির মেয়ে সুভা, তার জন্মসাথী, মাণিকের জন্যে।

পুরনো কলকাতার গায়ে গায়ে লাগা বাড়ি। স্কুলের পরে বাড়ির ছাদেই খেলাতে মেতে ওঠে বাচ্চাদু’টো, তাদের আর কোনও বন্ধু নেই। মাণিক গল্প বলে, সুভা গান গায়। দু’জনেরই গল্প বইয়ের খুব নেশা। লাইব্রেরির বই বদলা বদলি করে পড়ে তারা। পড়াশোনায় খুব মাথা মাণিকের, প্রথম ছাড়া দ্বিতীয় হয় না কখনও। বিধুশেখর বলেন, “সুভাকে একটু দেখিয়ে দিস তো মণি, ওর নিরেট মাথায় যে কিছুই ঢোকে না।” তার বাবার পিঠ পিছে লম্বা জিভ বার করে ভেংচি কাটে সুভা।

বিরাট একান্নবর্তী পরিবার ঘোষেদের তবে ভাঙন ধরতে শুরু করেছে। পরিবারের কিছু নিষ্কর্মার ভার কেন বহন করবে অন্যেরা, যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উদয়াস্ত পরিশ্রম করে চলেছে? সবে প্রোমোটর নামক জীবের উদয় হয়েছে শহরে। স্থির হয়, পায়রার খোপের মতো ফ্ল্যাটবাড়ি যাদের পছন্দ, তারা থাকবে এখানেই। বাকিরা তাদের ভাগের টাকা নিয়ে যেখানে যেতে ইচ্ছে হয় চলে যাবে।
মাণিকের মামাবাড়ি বেশ বর্ধিষ্ণু। বিরাট বাড়ি তাঁদের শহরতলিতে। পায়রার খোপ পোষাবে না, শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে থাকার আমন্ত্রণও প্রত্যাখ্যান ক’রে, তাঁদের পাশেই জমি কিনে বাড়ি তোলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন মাণিকের বাবা।
মাণিক এসে দাঁড়ায় সুভার ঘরের দরজায়। মুখ ফেরায় সুভা, তার মুখ লাল। নাক টানছে সে।
“সর্দি বাধালি? চল খুড়িকে বলি, আদা-তুলসী-গোলমরিচ দিয়ে ভালো করে চা বানাতে।”
রান্নাঘরের দরজায় গিয়ে দাঁড়াতেই সুগন্ধের ধাক্কা প্রবল হয়ে ওঠে।
“আচার বানাচ্ছ খুড়ি?”
“না তো।”
“তবে কীসের গন্ধ?”
“আমি তো ডালে সাম্বর দিচ্ছি মণি, পাঁচফোড়ন আর শুকনো লংকা দিয়ে। ডাল আর বেগুন ভাজা দিয়ে দু’টো ভাত খাবি?”
মাণিকের মুখের হাসি কান পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
“তুমি কাঙালকে শাকের ক্ষেত দেখাচ্ছ খুড়ি?”
তাক থেকে থালা টেনে নিয়ে বসে পড়ে সে।
“এ মা! দেখ, মণির হাত টাত ধোওয়ার বালাই নেই, হ্যাংলা বসে পড়ল খেতে।”
ক্রন্দনরত সুভারও মুখ ভরে ওঠে হাসিতে।
“তা তোরা যাচ্ছিস কবে, মণি?”
“কে জানে। বুঝব যেদিন স্কুল থেকে নাম কাটা হবে।”
“খুব মজা না! খাস আমসত্ত্ব, আচার, ডাল-ভাত-বেগুন ভাজা!” কলা দেখায় সুভা।
“মামার বাড়ি যাব, মজা হবে না? কেমন পুকুরে নাইব, সাইকেল চালাব, আম পাড়ব। তোমরা আসবে তো খুড়ি আমাদের নতুন বাড়িতে?”

ছাতে দেখা হয় বিকেল বেলা। সুভার মুখ তখনও লাল।
“তুই কাঁদছিস কেন?”
“তোর না’হয় দুঃখ হচ্ছে না মামাবাড়ি যাওয়ার আনন্দে। তাই আমাকেও নাচতে হবে? আমার মন খারাপ।”
“আমার জন্যে? আমি আসব তো, তোরাও যাবি। কেমন একটা বেড়ানোর জায়গা হ’ল বল। আমার তো ভালো লাগছে – নতুন স্কুল, নতুন পোশাক, নতুন বন্ধু।”
“নতুন বন্ধু! আমাকে ভুলে যাবি?”
“ভুলব কেন?”
“চোখের বাইরে হলেই মনেরও বাইরে।”
নিচে নেমে যায় সুভাষিণী মুখার্জী।

আলাদা আলাদা ভাবে বড় হয়ে উঠতে থাকে সেই এককালের হরিহর আত্মাদু’টো। কদাচিৎ পালা-পার্বণে দেখা হয় তাদের। মাণিকের জগৎ এখন অনেক বিস্তৃত। সায়েন্স নিয়ে পড়ছে, তাই চাপও বেড়েছে।
অনেকদিন বাদে দেখা হ’ল দু’জনের, মাণিকের বড়জ্যাঠার মেয়ের বিয়েতে। বড় হয়ে গেছে ছেলেমেয়ে দু’টো। মাণিক অবাক চোখে তাকিয়ে থাকে তার বাল্যসখীর দিকে। বিশ্বাস হয় না, এই সেই সুভা। কোন জাদুকাঠির ছোঁয়ায় সে আজ হয়ে উঠেছে অপরূপা।
ঘনিষ্ঠ হয় সুভা।
“আমাকে নিয়ে যাবি তো, তোদের বাড়ি?”
“হ্যাঁ, কেন যাব না? কবে যাবি বল।”
“সে’রকম যাওয়া নয়! গড়ের বাদ্যি বাজিয়ে, তুই বরের বেশে আসবি, আমাদের বাড়ি সানাই বাজবে। মালা বদল করে, সিঁদুর পরিয়ে আমাকে একেবারে নিয়ে যাবি।”
মাণিকের চোখের পলক পড়ে না। বলে কী এই মেয়ে? সে তো এ’সব ভেবেই দেখেনি কখনও।
“সে তো অনেক দেরি রে। পড়াশোনা শেষ হবে, চাকরি পাব, তবে তো! তোকে নিয়ে গিয়ে খাওয়াব কী?”
“আমি তোর মত অত খাই না। কাকা যা আনবে, তাই দিয়েই হয়ে যাবে।”
মাণিকের হাঁ করা মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে সুভা। বলে, “ল্যাদাড়ুসের মতো তাকিয়ে আছিস কেন? জিবেগজা খাবি? নাকী বিয়েবাড়ির খাওয়া ছেড়ে এ’সব রুচবে না মুখে?”
“পিসি ঠাকমা করেছেন? দে।”
হাত বাড়ায় মাণিক।
“না রে, মা বানিয়েছেন। খেয়ে দেখ।”

আসা যাওয়া কম হয়ে যায় দুই বাড়ির লোকের। ‘আউট অফ সাইট, আউট অফ মাইণ্ড’।
এম এস সি’তে মাণিকের প্রথম স্থান অধিকার করার কথা কানে এসেছিল মুখার্জী বাড়ির সকলের। বিধুশেখর খুশি হয়ে বলেছিলেন, “যাক, সুবোধ দাদার হাতে হাত দেওয়ার লোক তৈরি হয়ে গেল। এবারে খুব ভাল চাকরি পাবে মাণিক।”
“আমি বুঝলামই না, অত ভাল ছেলে, ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার না হয়ে সাধারণ লাইনে পড়তে গেল কেন?” সুভার মা সরব হ’লেন।
“সব ভাল ছাত্রই যদি ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়, তাহলে পড়াবে কারা? মাণিকের অধ্যাপনা করার ইচ্ছে। খুব উন্নতি করবে ও জীবনে।”
ফিক করে হেসে সেখান থেকে সরে যায় সুভা।

কলেজে কলেজে ইণ্টারভিউ দিয়ে বেড়াতে থাকল মাণিক, কোথাও থেকেই কোন শুভ সংবাদ পাওয়া গেল না। সব জায়গাতেই এক ধরণের কথা শুনল সে।
“এত ভাল ফল করেছেন, আপনি তো ভাল অফার পেলেই চলে যাবেন। আপনাকে রাখব কেন?” কেউ আবার বলল, “আপনার তো উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশ যাওয়াই স্থির, তাহলে বৃথা অন্য কারও ভাত মারবার চেষ্টা করছেন কেন?”
মাণিকের চোখের পলক পড়ল না।
“আমার বিদেশে যাওয়া স্থির, অথচ আমিই জানি না।”

সুভার বিয়ের কথাবার্তা চলতে থাকল। মাণিককে চিঠির পরে চিঠি লিখতে থাকে সুভা, কোন জবাব আসে না।
স্ত্রী’র কাছে গিয়ে দাঁড়ালেন বিধুশেখর।
“মা হয়ে মেয়ের মনের খবর রাখ না? তোমার মেয়ের মন যে মাণিকে সমর্পিত, বুঝতে পার না?”
“তা কী করে হবে, ওরা তো আমাদের পাল্টি ঘর নয়।”
“তাহলে যাক, তিনটে জীবনই নষ্ট হোক।”
শয্যাশায়ী পিসিমার গলার জোর কমেনি এখনও, দাপটও রয়েছে তেমনই। ভাইপোর কথায় নড়ে চড়ে শুলেন তিনি।
“বলিস কী বিদু, আমাদের ওই সুন্দরী রাদিকের অমন কেলেকুষ্টি বর?”
“তোমার রাদিকের কেষ্ট তো কালোই গো পিসিমা।”
“বেরাম্বনের মেয়ে যাবে শুদ্দুরের ঘরে? সে যে বড় অসৈরন হবে বাবা, পিতিলোম বিবাহ।”
“আজকাল আর ওসব কেউ মানে না পিসিমা। ভাল বংশের সন্তান, পড়াশোনায় চৌকস, চেনা ঘর! আর কী চাই?”

কোথাও কোনও আশার আলো না দেখে ছাত্র পড়াতে শুরু করল মাণিক।
সুভা’র চিঠি এসে পড়ে আছে, উত্তর দিতে হাত সরে না। কীই বা লিখবে?
ভাইঝি’র বিয়ের নিমন্ত্রণ পত্র নিয়ে আসে বিধুশেখরের ছোট ভাই। ব্রাহ্মণ, আই এ এস পাত্রের সঙ্গে বিয়ে স্থির হয়েছে সুভাষিণী মুখার্জীর।
বিয়ের মণ্ডপে সানাইয়ের মন কেমন করা সুর সুভাকে বার বার যেন কার কথা মনে পড়িয়ে দিচ্ছে।
এলই না শেষ পর্যন্ত।

ধূপ আর ফুলের গন্ধে ভরে উঠেছে চারদিক। অতিথিদের কোলাহল, আলোর ঝলকানি – এত সবকিছুর মাঝেও সুভার বুকে এক অদ্ভুত শূন্যতা।
“মাথাটা তোল সুভা, মালা বদল হবে তো!” রাঙামামীর কণ্ঠ আবারও ভেসে আসে। ধীরে ধীরে মুখ তোলে সুভাষিণী। তার চোখে জল টলমল করছে। অপরিচিত বরটির চোখের দিকে তাকায়। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই তার মনে হয়, এই মানুষটাকে তো সে কখনই ভালবাসতে পারবে না। তাহলে? একজন নিরপরাধ মানুষকে ঠকানো হবে না? ঘোমটার ফাঁক দিকে সন্তর্পণে চারদিকে নজর ঘোরায় দুঃখী মেয়েটা। কেউ কোত্থাও নেই। নিমন্ত্রণ পেয়েছিল নিশ্চয়ই, আসতে পারত। কাকা, কাকিমা – কেউই এল না? চোখ ছাপিয়ে জল নেমে এসে তার বেনারসী ভিজিয়ে দিতে থাকে।
বিয়ের নিয়মমাফিক সমস্ত আচার আচরণ শেষ হয়ে গেল। মালা বদল, সিঁদুরদান, কনকাঞ্জলি, সবই। ঠিক যেমন হওয়ার কথা ছিল, ঠিক তেমনই। কিন্তু সুভা তার মনের তারে কেটে যাওয়া সুরটাকে আর কোথাও খুঁজে পেল না। থাক, আর কাঁদবে না সে। কার জন্যেই বা কাঁদবে। সেই ছেলেটা তো সুভাকে কখনও ভালই বাসেনি।

ওদিকে, পুরনো একটা খোলা ট্রাঙ্কের সামনে বসে আছে মাণিক। ভিতরে কতগুলো বই, কিছু হাতে লেখা নোট, আর কয়েকটা রঙিন খাম। সে বারে বারে সেই খামের ভেতরে রাখা চিঠিগুলো খুলে দেখছে আবার ভাঁজ করে রেখে দিচ্ছে। সুভার শেষ চিঠিটাতে শুধু একটাই লাইন লেখা ছিল, “তুই আসবি তো?”
জবাবও যায়নি কখনও।
আজ তো বিয়ের তারিখ, দূরে কোথা থেকে যেন সানাইয়ের করুণ সুর ভেসে আসছে। আজ তো সুভা’রও বিয়ে।
মাণিক উঠে দাঁড়ায়, জানলার কাছে গিয়ে বাইরের অন্ধকারে তাকিয়ে থাকে। যেতে পারে, এখনও পারে। সব ছেড়ে, সব ভেঙে, দৌড়ে চলে যেতে পারে। কিন্তু যায় না সে, চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে, ঠিক যেমন এতদিন ধরে থেকেছে। বাইরে, বসন্তের মাতাল হাওয়া হুড়মুড়িয়ে ঘরে ঢুকে পড়ে, উড়িয়ে নিয়ে যায় মাণিকের সুখ দুঃখ। একটা শুকনো আমপাতা উড়ে এসে জানালার শিকে আটকে রইল। মাণিক হাত বাড়িয়ে পাতাটাকে তুলে নিল, হালকা হাসিতে তার মুখ ভরে গেল।
“তোর অবস্থা ঠিক আমারই মতো। রসকষহীন, যাওয়ার কোন ঠিকানা নেই, কেবল ভেসে ভেসে বেড়ানো।”

সুভাকে নিয়ে ফুলে সাজানো গাড়িটা গড়াতে থাকে। লাল টুকটুকে বেনারসী শাড়িতে মোড়া সুভা বসে আছে জানলার পাশে। চোখের কোণে জল জমে আছে। হঠাৎ সে একবার পেছনে ফিরে তাকাল। তার আজন্ম পরিচিত শহর, বসত বাড়ি সবই কেমন আবছা হয়ে আসছে। ছাদ, পাঁচিল, সেই পুরনো দিনগুলো… সব দূরে সরে যাচ্ছে।

দু’জনেই দুই জায়গায় চুপ করে ভাবে। দু’জনেই জানে, কিছু গল্প কখনও শেষ হয় না।, শুধু থেমে যায়। হয়ত, কোন একদিন, কোন এক শহরে, কোন এক গোধূলির কনে দেখা আলোর বিকেলে আবার দেখা হয়ে যাবে, হঠাৎ।
অথবা, কক্ষনো হবে না।


লেখক পরিচিতি : ইন্দ্রাণী তুলি
ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য ওরফে তুলি তাঁর ছোটবেলা থেকেই ইংরেজি এবং বাংলাতে লেখালেখি শুরু করেন। তাঁর লেখা বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। বেশ কিছুদিন তিনি দ্য টেলিগ্রাফ, সল্টলেক'এর জন্যে ফ্রীল্যান্স রিপোর্টিং করেছেন। প্রকাশিত(সংকলন সমেত) এবং ই-বইয়ের সংখ্যা প্রায় ২০। অনেক পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন ইন্দ্রাণী। বাংলা কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদের জন্যে 'জীবনানন্দ দাশ অ্যাওয়ার্ড'- দ্য অ্যান্টোনিম এবং ভাষা সংসদ, স্পাই-স্টোরি প্রতিযোগিতা- দ্য স্টোরিজ পিপল, কবিতা প্রতিযোগিতা- আই টু রাইট(প্রথম স্থান) দ্য টেলিগ্রাফ সুপার স্যুভেনির ফিকশন প্রতিযোগিতার বিজেতা, 9F10 থ্রিলার প্রতিযোগিতা 1&2 বিজেতা, ব্লু ক্লাউড পোয়েম কম্পিটিশন বিজেতা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।

মাসিক দীপায়ন প্রতিযোগিতা

মাসিক দীপায়ন পুরস্কার pop up