আশা
লেখক : শারমিন শিলা রিয়া
বেঁচে থাকাটাই কোন কোন সময় হয়ে উঠে এক ভীষণ বেদনার।
সব বেদনার অবসান ঘটায় মৃত্যু নামক মুক্তিটায়।
কখনও হাসি, কখনও কান্না, কখনও রাগ, কখনও অভাব, কখনও বা দুঃখের পাহাড়।
আকাশে ঘন কালো মেঘের মত জমে …
বেঁচে থাকাটাই কোন কোন সময় হয়ে উঠে এক ভীষণ বেদনার।
সব বেদনার অবসান ঘটায় মৃত্যু নামক মুক্তিটায়।
কখনও হাসি, কখনও কান্না, কখনও রাগ, কখনও অভাব, কখনও বা দুঃখের পাহাড়।
আকাশে ঘন কালো মেঘের মত জমে …
মাথাহীন প্রকাণ্ড এক ধড়ের মিছিল
যারা নিজেদের সাংঘাতিক বোদ্ধা ভাবে,
কথা বলে ঢের বেশি, শোনে কিংবা
শেখে তার বহুগুণ কম, তারাই নিয়ন্ত্রণ করে চতুর্দিক।
এরাই প্রতিটি দেশের মহামান্য নাগরিক।
এরা সামান্য মুদ্রায় কিংবা সামান্য দাক্ষিণ্যে
অনায়াসে …
মিথ্যেগুলো আজ তারার মতো খসে পড়ছে
বেড়াজালে জড়িয়ে যাওয়া মিথ্যাগুলোকে
আর ধরা গেল না
সত্যি-মিথ্যে লুকোচুরি খেলতে খেলতে
মিথ্যেরা হেরে গেল
রোজ রোজ কত ভ্যালেণ্টাইন ডে চলে যায়
প্রমিজ ডে চলে যায়
পার্কের আড়ালে, নদীর কিনারে…
যে যাপন কবিতায় থিতু, তার আর কিছু চাই নাকি?
বাইরে প্রবল ঝড়,অশনি সংকেতে
একটি শ্যামল ভ্রুণ যেভাবে আঁকড়ে থাকে মাটির চরণ
একটি সৃষ্টির মত, একটি রোদের মত
আলোকরেখার দানে নতুন জীবন;
একটি কবিতাপথ একেবারে তারই …
(১)
নিজেই নিজেকে পারি না ছুঁতে আর
একদিন খুব কাছের ছিলাম আমরা
তারপর মন থেকে মন গেল সরে
অমনন বসবাসে আলোকবর্ষে তারা।
(২)
দূরত্ব কী দিয়ে মাপে?
মিটার না সময় এককে!
মন জানে মনে মনে মন দিয়ে …
চল্লিশটা বসন্ত, শীত পেরিয়ে আজ প্রান্তিক।
দশটা শৈশব, তিরিশটা যৌবনও গত ।
দিনের শুরুটা বেশ অন্য নতুন লাগে
একেক ডাক একেকটি শাড়ির মত।
চল্লিশটা বসন্তের হলদে পাতায় খেলত রামধনু।
শীতের কোল্ড ক্রিম, মোজার উষ্ণতার আরাম,
লাইন …
ভাষার মিছিলে হারিয়ে যাওয়া সেই প্রিয় প্রেমিকের মুখ,
আজও খুঁজে ফেরে প্রেমিকা তার—বুকের ভেতর গভীর অসুখ।
রক্ত দিয়ে লিখে দিয়ে গেছে যে অমর অক্ষরের নাম,
বাঙালির হৃদয়ে লেখা আছে তার অমূল্য আত্মত্যাগের দাম।
বিদ্রোহী সেই তর্জনী …
তোমরা যে বলো—
‘উত্তরণ হোক,
নাম-ডাক, যশ-খ্যাতি হোক।
এমন কিছু করো,
যাতে ছাপ রেখে যেতে পারো পৃথিবীর এই বুকে।’
তবে গহীন মন কেন বারবার বলে—
‘চলো ফিরে যাই,
নিভে যাই দেহের ভেতরে,
নীরবে, গোপনে।
পৃথিবীর …
এই তো একটু আগেই,
বিকেলের সূর্যটা চলেছিল সাথে সাথে,
বন্দেভারতের বড় জানালা দিয়ে
দেখেছি খেজুর গাছের ফাঁকে ফাঁকে।
হঠাৎই মুখ লুকিয়ে অদৃশ্য হল সে,
না বলেই হল অস্তমিত!
দায় নেই তার কারও কাছে,
শুধু খোলা প্রকৃতির …
বই দেখলেই মনে হয় থেকে যাই
একটু দেখি, একটু পড়ি, পাশে রাখি
গন্ধ নিই নাকের কাছে এনে।
ঝির্ঝিরে বৃষ্টিতে কাচের ওপারে
আবছা এক ধান জমি ভিজছে
নিবিড় এক সোঁদা গন্ধে
এক বুক বাতাস টেনে নিয়ে
ঈশ্বরকে …
প্রশ্নমালার কাঠগড়ায় দাঁড়ায় সত্তা
ইতিহাসবর্জিত, সাক্ষীবিহীন, নিজস্ব চেতনার অন্তঃপ্রাঙ্গণে
ন্যায় বিধান, আত্মানুসন্ধানের অবশ্যম্ভাবী অনুশাসন।
প্রশ্নেরা উচ্চারিত শব্দ, অস্তিত্ববিদারী প্রতিসংস্কার,
চিন্তার গভীরতম স্তরে অবগাহন ছিন্ন অহংকারের বহুপল আবরণ।
কাঠগড়া নির্মিত আকাঙ্ক্ষা পরিতৃপ্তির মধ্যবর্তী অতল ফাঁকে,
প্রত্যাশা দীর্ঘকাল …
ঐ শোন শোন চরিদিকে ভাই, বাজল বিষাণ ঘোর,
আঁধার চিরে জাগছে আবার রক্তমাখা ভোর!
মসনদে ঐ জাঁকিয়ে বসে শোষকদলের ভিড়,
লুঠছে যারা বাংলা মা-কে, হানছে বুকে তীর।
শান্তি-সুখের পায়রাগুলো ভয়েতে মরে ত্রাস,
রাজনীতির এই রঙ্গমঞ্চে শুধুই …
মাসিক দীপায়ন প্রতিযোগিতা
