Category: অনুবাদ-সাহিত্য
চাকরি করব, চাকরি করব
… জোড়া শব্দের গল্প
লেখক : বিপ্লব চন্দ্র দত্ত
নিভু আলো পিটপিট,
মেজাজখানা খিটখিট!
গাছে ওঠা তরতর,
কানে বাজে ফরফর!
নদীতটে ঝিরঝির,
চোখ কাঁপে তিরতির!
মেঘ ডাকে গুড়গুড়,
কাঁচ ভেঙে চুরচুর!
লোকের ভীড় গমগম,
ভয়েতে গা ছমছম!
বুক করে ধুকধুক,
বউটি লাল টুকটুক।
খুশির …
পেটুক
লেখক : বিপ্লব চন্দ্র দত্ত
টাক মাথার পেটুক গগন
বেঢপ তাঁর ভুঁড়ি,
থালার খাবার সাবাড় করতে
লাগে এক তুড়ি।
রোদের আলোয় ঝলমলায়
তেল চুকচুকে টাক,
ভুঁড়ি দেখে মনে হবে
মধু ভরা চাক।
রুচি মুখে খেতে পারে
থালা ভরা ভাত,
আহার …
শীতের সকাল
লেখক : আমীর হামজা
শীতের সকাল!
কুয়াশাতে ঢাকা,
অন্ধকারে পথ হারিয়ে
চলছি আঁকাবাঁকা।
কনকনে এই শীতের দিনে
সবাই লেপের তলে,
গাছি ওঠে খেঁজুর গাছে
রস নামাবে বলে।
শীতের পিঠা! শীতের পিঠা!
গরম তেলে ভাজা,
বেশি করে খেয়ে খেয়ে
করি অনেক …
সুরবালা
লেখক : বিপ্লব চন্দ্র দত্ত
সুরেশবাবু মরে গেলো
একা সুরবালা,
খবর পেয়ে ছুটে এলো
সুরেশবাবুর শালা।
বিষয় সম্পদ দখল নিল
দুয়ারে দিল তালা,
দিদি পেলো বাড়ির পাশে
টিনের একখান চালা।
একটা করে দিল তাকে
গ্লাস-বাটি-থালা।
আরো দিল স্বামীর দেয়া
একজোড়া …
দুঃখখুঁটি
লেখক : দালান জাহান
ইদানীং ফিরতে ভুলে যাচ্ছি
ঠিক কোথায় ফিরব
ক্যালোন্ডারে বন্দি জীবন
প্রদর্শনীতে ব্যস্ত শরীর
বার, মাস বছর ভুলে যাচ্ছি।
দুঃখখুঁটি ভেঙে একদিন
পৃথিবী ভর্তি জলে তৃষ্ণা মেটাবে
প্রেমিক শিশু..!
হায় শিশু অনাদরে লম্বা শিশু!
হাসি ভুলে যাচ্ছি …
ম্যাজিকল্যাণ্ড
লেখক : দালান জাহান
জবাবহীন প্রশ্নোত্তরে তিনি দিয়ে থাকেন নদী ও মাছ জীবনের সম্প্রনিনাদ।
এই সুখগুলো নাকমুখ বন্ধ করে
তিন দমের বাড়ি যায়
আবার লাফাতে লাফাতে বিক্রি হতে হাজির হয় মুখহীন দাঁতহীন জল টেবিলে।
এই সব শুদ্ধশূণ্য গল্পতৃষ্ণার
অলংকৃত ফটোগুলো…
তোমার কাছে কি?
লেখক : প্রভঞ্জন ঘোষ
আলো ছড়িয়ে আছে
পাশাপাশি রং
পরস্পর মিশ্রিত হয়ে
কোথাও পান্না, কোথাও পোখরাজ
প্রবাল-নীলা-চুনি …
তোমার কাছে কি?
রং ছড়িয়ে আছে
পাশাপাশি ঢ্যালা
পরস্পর মিশ্রিত হয়ে
সোনা-রুপো-লোহা
কোথাও টিন, কোথাও সীসে
নিকেল-তামা-প্লাটিনাম …
তোমার কাছে কি?
জল …
শতায়ু অঙ্গন
লেখক : বিপ্লব চন্দ্র দত্ত
প্রতিদিন নিয়ম করে, জেগে উঠি খুব ভোরে,
দলবেঁধে হাঁটতে যাবার তাগিদে,
এক ঘন্টা হাঁটা শেষে, চা দোকানে জনাদশে,
আড্ডা দিয়ে মিটাই যত খিদে।
চিনি ছাড়া চা খাই, সাথে বিস্কুট যা পাই,
বসি সেথা দুই টেবিল …
লীনার হাত
লেখক : আলী ইব্রাহিম
লাল লাল কাকড়াগুলো ওই নাগরে বিমোহিত।
সাম্রাজ্যের উপদ্রবে অহেতুক ছুটি-বিনি-ওড়ে অবিরত।
মৃতকাক তবু রাজখুঁটি ধরে ধরে নক্ষত্র পাদুকায় পথ চলে।
আর কানামাছি সর্বভুক কপটতায় কেবলি দীর্ঘায়ু পায়।
লীনার হাত ধরার মতলব বুঝে গেছে কবি।
বুনো গোখরার …
জান্নাতুন নাঈম প্রীতি
লেখক : আলী ইব্রাহিম
শেষ পর্যন্ত এই জন্ম-মৃত্যু, এই মাতৃত্বকে দোষ দেয়নি সে।
অথচ সেসব মনে করে আজো খুব হাসি পায় তার।
সে কী নারী? সে কী সমকামী? নাকি নারীবাদী?
কেন এসব আজ রাষ্ট্রকে এভাবে ভাবায়? কেন?
পুরুষের মনস্তাত্ত্বিক পরাভবে …
দূষণ
লেখক : সমীর ঘোষ
দূষণ নিয়ে এখন ওরা
করছে বড়ই মাতামাতি
দেখছে লিখছে ইচ্ছে মতন
চাইছে পেতে হাততালি।
ছিলনা তখন সেনিটারি বা
বাথরুম নামে ছোট ঘর,
খোলা আকাশের নিচেই ছিল
দিগন্ত বিস্তৃত খোলা ঘর।
তখন ছিলনা দামি ফিল্টার
পানীয় জলের …
সুপ্ত বাসনা
লেখক : মুহাম্মদ জে.এইচ (রপ্পি)
হে কবি,দ্রুততম, সময় যাচ্ছে চলে
হারানো পথে
কুৎসিত মৌন,পাপ করেছে জমা,
কবি এখনও হারায়নি মহৎ সময়
তাই বিধাতার দরবারে
মাশুলে চাও যে ক্ষমা?
রাত দিন এক করে চেষ্টা যখন
করেই যাচ্ছো কবি,
সবুরের ফল ত …