লেখক : অর্দ্ধেন্দু গায়েন
এমন তো মাঝে মধ্যেই হয়ে থাকে–
যখন অস্তমিত সূর্যালোকের রঙ-বেরঙের
স্রোতে, ভাসমান মেঘরাশি গুনতে গুনতে গোধূলির আমন্ত্রণে পায়ের কাছে নামে ঘন অন্ধকারের ছায়া।
রবি ঠাকুরের গানে আচ্ছন্ন মস্তিষ্ক খুঁজে বেড়ায়
পশ্চিমাকাশের শুকতারার পুরনো ছায়াপথ।
ঘুমের ঘোরে স্বপ্নেরা ছড়িয়ে পড়ে দাবানলের মত।
অকস্মাৎ জেগে উঠি–
খোলা আকাশের নিচে আমি একাকিত্ব অনুভব করি।
কেউ কেন আমায় নির্জন পার্কে একা রেখে চলে গেল?
একটা অস্বাভাবিক ঘৃণা বুকে নিয়ে–
কালো রাত্রির বুকে পা ফেলে ফেলে ভয়ে ভয়ে,
পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়ে থাকা গাছেদের ছায়া পেরিয়ে;
নিস্তব্ধ দরজার সামনে গিয়ে শেষ হ’ল যাত্রাপথ।
ভয়াবহ রাত গড়িয়ে সামনে এলো নতুন সকাল।
কিছু মানুষের কোলাহল আমাকে জাগাল বটে,
তথাপি চোখ থেকে চোখ ছাড়াতেই;
আমার সম্মুখে ধৃতরাষ্ট্রের মত নিষ্পলক বসে
রনজিত। রাগে, অভিমানে, ক্ষোভে বন্ধুত্বের সব
শৃঙ্খল থেকে মুক্তি চেয়ে নিলাম সেদিন।
লেখক পরিচিতি : অর্দ্ধেন্দু গায়েন
জন্ম উত্তর চব্বিশ পরগনার যোগেশগঞ্জের মাধবকাটী গ্রামে।পেশায় সরকারী চাকুরী হলেও নেশা পড়াশোনা , ইচ্ছে হলেই লেখা-সে কবিতা, ছোটগল্প, অণুগল্প, প্রবন্ধ যা কিছু হতে পারে, অবসরে বাগান করা,ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চাদের সঙ্গে খেলা ইত্যাদি।তবে সব পরিচয়ের সমাপ্তি ঘটে সৃষ্টিতে --পাঠক যেভাবে চিনবেন আমি সেভাবেই থেকে যাবো।

