ভুতুড়ে বাক্স

লেখক : প্রীতম চক্রবর্তী

পিয়ালী সেদিন রাতে স্কুটি নিয়ে অফিস থেকে ফিরছিল। কৃষ্ণা চতুর্দশীর জমকালো অন্ধকারে চতুর্দিক নিস্তব্ধ। তার উপর সন্ধ্যায় এক পশলা বৃষ্টি হওয়ায় পথঘাট একদম ফাঁকা। তখন রাত প্রায় সাতটা বাজে। পিয়ালী পাঁচ থেকে সাত কিলোমিটার পথ চলার পরেই পথের মাঝে একটি সোনালী রঙের চকচকে বাক্স দেখতে পেলো। জায়গাটি খুব নিস্তব্ধ এবং জনমানবহীন ছিল। সে কৌতুহলবশত কারোর ফেলে যাওয়া মূল্যবান বাক্স ভেবে এটির কাছাকাছি গেল। কাছে গিয়ে ছুঁতেই বাক্সটির মুখ খুলে গেল এবং তা থেকে এক অদ্ভুত আলো বেরোতে লাগলো। পিয়ালী ভয় পেয়ে পালাবার চেষ্টা করলেও তার পা দুটো যেন মাটিতে আটকে গেল। তৎক্ষণাৎ বাক্সটি থেকে বিকট ধরণের আওয়াজ বেরোতে লাগলো এবং সে অনুভব করলো যে তার চারপাশে হাওয়ার মতো কিছু লোক ঘুরছে। পিয়ালী ভয়ে কান্নায় বিহ্বল হয়ে চিৎকার করতে শুরু করলেও কোনো লোকজনের সাড়া মিলল না। ফোনে নেটওয়ার্ক না থাকায় বাড়িতে যোগাযোগ সম্ভব হলো না। মিনিট দুয়েক পর বাক্সটি থেকে অদ্ভুত কান্না করে একটি বিকট চেহারার ছোট্ট শিশু বেড়িয়ে এলো। শিশুটিকে হামাগুড়ি দিয়ে কাছে এগিয়ে আসতে দেখেই পিয়ালী অজ্ঞান হয়ে গেলো। পরদিন যখন তার জ্ঞান ফিরল তখন সে হাসপাতালের বিছানায় এবং পাশে তার স্বামী বসে।


লেখক পরিচিতি : প্রীতম চক্রবর্তী
লেখক প্রীতম চক্রবর্তী আগরতলার বাসিন্দা, পিতা বাবুল চক্রবর্তী ও মাতা বীণা চক্রবর্তী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান নিয়ে স্নাতকোত্তর করছেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।

রুচিশীল ও বিষয়ভিত্তিক আলোচনার জন্য ক্লিক করুন এখানে

sobbanglay forum