চোর

লেখক : মনোজ চ‍্যাটার্জী

“পাপা, ওকে বেঁধে রেখেছে কেন ?”
ছেলের প্রশ্নে অবাক হয়ে যায়। কাকে আবার বেঁধে রেখেছে ? সুবিমল প্রথমে খেয়াল করে নি। সে ডিটেকটিভের মত চোখ নিয়ে সবজিওয়ালাদের সবজিভাণ্ডারের দিকে তদন্ত করছিল। কার মেথিশাক কচি ও টাটকা, কার ঢ‍্যাঁড়শ রঙ করা নয় – এসব পরপর দেখছিল। তারমাঝে বুবুনের এই বডিলাইন বাউন্সার। দেখে রাস্তার ওপারে একটা পোলের সাথে মোটা দড়ি দিয়ে বাঁধা আছে লোকটা। পরনে অতি পুরনো নোংরাভর্তি জামাপ‍্যাণ্ট। লোকটা যত না কালো, গায়ে ধুলোকালি বসে খানিকটা নিগ্রোদের মত চেহারা, কিন্তু শরীরে অপুষ্টির ষোল আনা ছাপ। বাঁধা থাকলেও শরীরে ভালরকম গণধোলাইয়ের কোন চিহ্ন নেই। দু’তিনটে হোমরাচোমরা ব‍্যবসাদার তার সব পকেট সার্চ করছে। বোধহয় কিছু পায় নি। বেগতিক দেখে সে ছেলেকে নিয়ে বাজারের সম্পূর্ণ অন্য প্রান্তের দিকে চলে যায়।
“পাপা, বলো না, ওকে বেঁধে রেখেছিল কেন ?”
“আঃ! বুবুন, কি হচ্ছে ? তোমার এসব জানার কোন দরকার নেই।”
“বলো না পাপা, প্লিজ, আমার খুব কিউরিওসিটি হচ্ছে।”
“বুবুন, তুমি নটি হয়ে যাচ্ছ।”
“প্লিইজ পাপা।”
“ও বোধহয় কিছু চুরি করেছে বা চুরি করতে যাচ্ছিল। ধরা পরে গিয়েছে। তুমি তো জানো, স্টিলিং ইজ এ ক্রাইম। তাই ওরা পুলিশে দেবে বলে বেঁধে রেখেছে। চলো, চলো, তোমার স্কুলের আবার টাইম হয়ে যাচ্ছে।” সেদিন আর ভাল করে বাজার করা হয় না সুবিমলের।

“কী গো, তোমার কি বুড়ো বয়সে ভীমরতি হয়েছে‌। এ কী বাজার করেছ! যা বলেছিলাম, তার আদ্ধেক জিনিস আনো নি, আর যেগুলো এনেছ, সে সব মুখে দেওয়ার যোগ্য নয়। বলি, সারা সপ্তাহ এই দিয়ে চলবে তো ? সুন্দরী মহিলারা বুঝি আজকাল বাজার করতে যাচ্ছে ! তাতেই তোমার মাথা বিগড়ে গেছে। শালা পিএইচডি কোথাকার।”
মহুয়া নিজেকে আর সামলাতে পারছিল না। বুবুন হওয়ার আগে তার মুখ দিয়ে বকাটে ছেলেদের চেয়েও খারাপ স্ল‍্যাং বেরোত, তারপর থেকে দু’জনে নিজেদের কণ্ট্রোল করে শুদ্ধ ভাষায় কথা বলে, যাতে বুবুন খারাপ ভাষা না শেখে। এখনকার স্কুলে খুব কড়াকড়ি, শুধু বাজে ভাষা বললেই হয়ত ভাল স্কুলে চান্স পাবে না।
“ঠিক আছে, ঠিক আছে। এখন একটু ম‍্যানেজ করে বুবুনকে স্কুলে পাঠিয়ে দাও, পরে আমি আরেকবার বাজার যাব। এই বাজার একটা পর্যন্ত জমজমাট থাকে‌। আজ বাজারে একটা প‍্যাথেটিক ইনসিডেণ্ট দেখলাম, তাই আমার মাথা ঠিক কাজ করছিল না, তোমাকে পরে বলব।”
“তাই! সরি সরি আই উইথড্র ইয়োর ডিগ্রি, মাই সুইট লয়‍্যাল হাজব‍্যাণ্ড।”
“আই অ্যাম প্রাউড অফ দ‍্যাট ডিগ্রি, আই ওণ্ট গিভ ইউ ব‍্যাক।”
মহুয়া একটা বড় আলুর টুকরো ছুড়ে মারে সুবিমলকে।

জলখাবার খেয়ে সে আবার বাজারের দিকে রওনা দেয় তার অসম্পূর্ণ সাপ্তাহিক কর্মকে সুচারুভাবে সম্পন্ন করার জন্য। বাজারে গিয়ে দেখে সেই লোকটা তখনও সেরকমভাবেই বাঁধা আছে পোলের সাথে। অদ্ভুত নিস্পৃহ নির্বিকার মুখ। পরিস্থিতি তাকে বোধহয় এমন আবেগশূন‍্য করে তুলেছে‌। দোকানদারদের মুখে মুখে জানতে পারল, ও নাকি রতনের চায়ের দোকান থেকে চুপিচুপি একটা আস্ত কোয়ার্টার পাউরুটি তুলে নিয়েছিল। পাশের মাছওয়ালা হাতেনাতে ধরেছে। কিন্তু সুবিমল মিজারু, কিকাজারু ও ইওয়াজারু তিন বাঁদরের গল্পের দ্বারা প্রভাবিত, তার মত নিরীহ ভালমানুষ এটাই সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে জীবনে ভাল ফল পেয়েছে। সেখান থেকে সরে গিয়ে বাকি দূরের বাজারে সাবধানে বাজার করতে লাগল। ঘণ্টাখানেক ধরে গুছিয়ে বাজার করে ফেরার সময় দেখল লোকটা একই অবস্থায় আছে। লোকটাকে ওরা মারধোর করেনি, পুলিশে দেয়নি, শুধু গোটা শহরের লোককে ওকে চিনিয়ে দেওয়ার জন্য সারাসকাল বেঁধে রেখে দিয়েছে। সে মনে মনে ভাবতে লাগে, “এই ছিঁচকে চোরদের তো সবাই চিনিয়ে দেয়। কিন্তু তার অফিসের বড় বড় ইঞ্জিনিয়ার, ম‍্যানেজারবাবু, যারা প্রয়োজন ছাড়াই কোটি কোটি টাকার জিনিস অর্ডার করে লাখলাখ টাকার কমিশন খায়, ওই ডাক্তারগুলো, যারা অকারণ টেস্ট ও অপারেশনের নামে সাধারণ মানুষের সর্বস্ব লুট করে, তাদের চেনাবে কে?”

বাড়ি ফিরে আজ ছুটির দিনে বিছানায় শুয়ে শুয়ে তার মাথায় কেবল ওই লোকটার কথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। সত্যি বলতে কি, লোকটাকে তিন-চারবার দেখে মায়াই লাগছিল। হয়ত খিদের জ্বালায় আর থাকতে না পেরে একটা পাউরুটি তুলে নিয়েছিল। অথচ এই চাওয়ালা রতনই দিনে তিন-চার প‍্যাকেট বিস্কুট রাস্তার কুকুরগুলোকে খাইয়ে দেয়। এইসব আবোলতাবোল ভাবছে, হঠাৎ তার মাথায় একটা অবাস্তব আইডিয়া এসে গেল।

গ্রামের নিম্নমধ্যবিত্ত বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান সে। মাত্র আড়াই বিঘে জমি ছিল তার বাবার, আর অনেক কষ্টে গড়ে তোলা একটা মুদিখানা। খুব যত্ন করে ছেলেকে মানুষ করেন, ভাল পড়াশোনার সুযোগ করে দেন, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা করে সে কর্পোরেশনে চাকরি পায়। কিন্তু বিয়ের পরেই বৌয়ের অসম্ভব জেদের জন্য তাকে কলকাতায় ফ্ল্যাট কিনে এখানকার বাসিন্দা হতে হয়। বুড়ো বাবা-মা পড়ে থাকেন গ্রামের বাড়িতে। প্রথম প্রথম সে মাসে মাসে কিছু টাকা দিত, পরে সেটাও আর সম্ভব হয় না। সংসার চালানোর জন্য অতিরিক্ত পরিশ্রমে বাবার শরীর ভেঙে যায়, অবশেষে মাত্র একষট্টি বছর বয়সেই মারা গেলেন। সেই থেকে মা একাই গ্রামের বাড়িতে দিন কাটাচ্ছেন।

স্টেশন রোডের উপর বাজার‌। প্রায় এক কিমি রাস্তার দু’পাশে সব দোকান বসে। সবজি, মাছমাংস, ফল, ফুল, মুদিখানা – সব ধরনের দোকান। প্রত‍্যেকের পসরা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাজার খোলা থাকে। দুপুর দেড়টাতেও এই বাজারে সবজি পাওয়া যায়। দু’টো-আড়াইটেতে বাজার উঠে যায়। সুবিমল ভাবল, বাজার শেষ হ’লে ওরা নিশ্চয়ই ওকে বাঁধন খুলে ছেড়ে দেবে। আজ শনিবার, বুবুনের স্কুল হাফবেলা। বুবুনকে বাড়ি নিয়ে এসে খাওয়াদাওয়া করেই সে বেড়িয়ে পড়বে যদি সব প্ল‍্যানমাফিক চলে।
“শুনছ, আজ লাঞ্চ করে আমি একটু বাইরে বেরোব। আমার এক স্কুলবাডির বাবার শরীর খারাপ, এমার্জেন্সিতে ভর্তি করেছে, আমাকে খবর দিল। আজ ছুটির দিনেও না গেলে খুব বাজে হবে। কখন ফিরব ঠিক নেই, দেরি হলে তোমরা ডিনার করে নিও।”
“এই তোমার ন‍্যাকামো দেখলে আমার গা-পিত্তি জ্বলে যায়। অন্য বন্ধুরা ঠিক সাইড কেটে বেরিয়ে গিয়েছে, আর এই ঢ‍্যাঁড়শটা আমার কপালে জুটেছে। ভেবেছিলাম আজ একবার সাউথ সিটিতে যাব, তা নয় উনি চললেন বন্ধুত্ব দেখাতে। দাঁড়াও, দাঁড়াও, বুবুন এইচএস পার করুক, তোমাকে যদি ডিভোর্স না করি তো আমার বিয়ের আগের নাম মহুয়া রায়চৌধুরী নয়, এই বলে রাখলাম।”
“ডিভোর্স করলে আমার পঞ্চান্ন পেরোনোর আগে করো, নইলে আর পাত্রী পাব না।”
“ইয়ার্কি না, তোমায় আমি এমন মজা দেখাব না, নিজের বাবার নাম ভুলে যাবে।”
সুবিমলের সাহস হ’ল না বৌকে সত্যি কথাটা বলার। বললে বোধহয় এখনই ডিভোর্স হয়ে যেত।

ঠিক দুপুর দু’টোয় সে বার হল। বাজার প্রায় বন্ধের মুখে। সে তাড়াতাড়ি পা চালিয়ে এসে দেখে লোকটাকে ছেড়ে দিয়েছে।
“এই যাঃ, কোনদিকে গেল কে জানে। তবে এইসব ভবঘুরে লোকগুলো স্টেশন বা বড় বাসস্ট্যান্ডের আশেপাশেই বেশি থাকে।”
সে স্টেশনের দিকে প্রায় ছুটতে লাগলো। তার অনুমান অভ্রান্ত, এক নম্বর প্ল‍্যাটফর্মে উঠেই সে দেখতে পেল, একেবারে পিছনের দিকে একটা চায়ের দোকানের কাছে ঘুরঘুর করছে। সেখানটায় গিয়েই চাওয়ালাকে বলল দুটো চা আর একটা কোয়ার্টার পাউরুটি দিতে।
“আপনি দু’টো চা খাবেন?”
“না, ওই পাগলটাকে একটু চা-পাউরুটি দেব। সারাদিন কিছু খায়নি বলেই তোমার দোকানের কাছে ঘুরছে। এরা এমনই, চাইতে হয়, সেটাও জানে না।”
“না দাদা, এটা পাগল নয়, পাক্কা চোর। সকালে বাজারে দড়ি দিয়ে বেঁধে মারধোর দেওয়া হয়েছিল।”
“সে আমি শুনেছি। একটা কোয়ার্টার পাউরুটি না বলে তুলেছিল বলে ওকে ধরেছিল। ওই মাছওয়ালাটা পাকা চিটিংবাজ, নিজে লোক ঠকিয়ে খায় তো, তাই ওইটুকুতেই ওকে চোর বলে সবাইকে দিয়ে বেঁধে দিয়েছে। লোকে তো সব শুনেছে, তাই মারে নি।”
“কি জানি, আপনি শিক্ষিত লোক, যা ইচ্ছে করুন।”
“তাছাড়া চোর হলেও মানুষ তো, তারও তো খিদে-তেষ্টা পায়।”

“এই, এদিকে এসো। ভয় নেই, আমি তোমার জন্য চা-পাউরুটি নিয়ে এসেছি। এসো, খেয়ে নাও।”
লোকটা এক অসহায় অদ্ভুত দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে থাকে। খাবার নিতে আসতে ভয় পাচ্ছে, আবার বেঁধে রেখে দেবে না তো? এইসব মানুষেরা বন্ধনকে খুব ভয় পায়, হয়ত কোন এক দিন সংসারের কপট মায়াজালে আবদ্ধ হওয়ার ভয়ে রাতের অন্ধকারে ঘরবাড়ি, মা-বাবা, ভাইবোন সবাইকে ছেড়ে এসেছিল এক নবীন কিশোরকালে‌। শরীরে বয়সন্ধির ছোঁয়া লাগতেই চোখের সামনে ধরা পড়ে জীবনের আনাচেকানাচে ছড়িয়ে থাকা নানারকম বন্ধনের কপট মায়াজাল। চারপাশে দেখতে পায় একটার পর একটা গভীর কুয়ো তার হাঁ-মুখ বিস্তার করে বসে আছে পৃথিবীর রঙ-রূপ-স্পর্শ-অনুভবের পথের মাঝে। শৈশবকালে স্কুলের বন্ধনের কুয়ো, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের গতানুগতিক ব‍্যস্ততার বেড়াজাল, কাজের জায়গায় কলুর বলদের কুয়ো আর সবকিছুর উপরে সংসারের দৈনন্দিন অকারণ ব‍্যস্ততার ভয়ানক গোলকধাঁধা।
সে যাইহোক, সুবিমল আর থাকতে না পেরে নিজেই চায়ের কাপ আর কোয়ার্টার পাউরুটিটা নিয়ে গিয়ে ওর হাতে ধরিয়ে দেয়। একটু ইতস্তত করার পরে লোকটা মুহূর্তের মধ্যে ওগুলো উদরস্থ করে।
“আর খাবে ?”
লোকটা কোন উত্তর দেয় না, শুধু যেভাবে এক পরম ভক্ত তার আরাধ্য গুরুদেবের দিকে তাকিয়ে থাকে, সেইভাবে সুবিমলের দিকে তাকিয়ে থাকে। অন্য সেরকম খাবার কিছু না থাকায় আরও পাঁচটা পাউরুটি ও কয়েককাপ চা খায় লোকটা। বন্ধুদের অনেক লাক্সারি খাবার খাইয়েছে, তবু এই লোকটাকে খাওয়ানোর মত তৃপ্তি সে কোনদিন পায় নি।
“তোর নাম কী রে?” বলেই তার আজন্মসঞ্চারিত অশিক্ষা ও কুশিক্ষাজনিত চরম অভদ্রতার জন্য সুবিমল লজ্জা পেয়ে যায়। “সরি, সরি, তোমার নাম কী গো? বাড়ি কোথায়?”
কিছুতেই কোন উত্তর দেয় না দেখে তার মনে হচ্ছিল হয় লোকটা বোবা, নাহয় বাংলা কিছুই বোঝে না। অনেক চেষ্টার পর সে বুঝতে পারে, দীর্ঘকাল কোন লোকের সাথে কথা না বলায় প্রচণ্ড আড়ষ্টতা তার জিভে। প্রায় আধঘণ্টা চেষ্টার পর সে উদ্ধার করে, লোকটা বাঙালি ও তার বাড়ি পশ্চিমদিকে – বাঁকুড়া বা পুরুলিয়ার কোন অজ পাড়াগাঁয়ে। নাম অবিনাশ। নাইন-টেন পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। বয়স প্রায় আঠাশ বছর। আজ প্রায় দশ বছর ধরে ভবঘুরে জীবন কাটাচ্ছে। ভিক্ষা ও মানুষের দয়ার ভরসায় দিন কাটায়। মানুষের অবহেলা ও তাচ্ছিল্যের অস্ত্রের আঘাতে সে নীরব হতে হতে প্রায় মূক হয়ে গেছে‌‌। আজ সামান্য একটু ভালবাসার ছোঁয়া পেতেই তার মুখ থেকে আবার কথা বেরিয়ে আসছে।
“এই তুই আমার সঙ্গে একজায়গায় যাবি, আমার গ্রামের বাড়িতে? আমার বুড়ি মায়ের সাথে থাকবি। থাকা-খাওয়ার কোন চিন্তা নেই তোর। আমাদের জমিবাড়ি দেখাশোনা করবি আর আমার মায়ের একটু সেবা করবি।”
অনেকক্ষণ কীসব বিড়বিড় করার পর অবিনাশ বলে, “হ‍্যাঁ যাব, তোমার মায়ের কাছে থাকব। তবে তোমার একার মা নয়, আমিও মা বলব।”
সুবিমল আর দেরি করে না, ওকে এই অবস্থায় নিয়ে গেলে মা মানবে না। সে আশপাশের দোকান থেকে অবিনাশের জন্য কিছু পোশাক কেনে ও স্টেশনের সুলভ কমপ্লেক্সে ওকে নিয়ে যায়। একটা সুইপারকে টাকা দিয়ে রাজি করায় অবিনাশেকে ভাল করে স্নান করিয়ে দেওয়ার জন্য‌। সে সামনে দাঁড়িয়ে দেখতে থাকে, সুইপার অবিনাশকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে দিচ্ছে, আর নালা দিয়ে সমাজের নোংরাগুলো জলের সাথে বেরিয়ে যাচ্ছে।


লেখক পরিচিতি : মনোজ চ‍্যাটার্জী
মনোজ চ‍্যাটার্জী, বেসরকারি ইন্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষাকর্মী

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।

মাসিক দীপায়ন প্রতিযোগিতা

মাসিক দীপায়ন পুরস্কার pop up