মেজদিস্যর
লেখক : সুদীপ জোয়ারদার
“দু’টো ক্লাসের ফাঁকে মিনিট পাঁচেকও যদি সময় না পাওয়া যায়, কীরকম বাজে লাগে বল তো!”
“আমাদের বাজে লাগলে মেজদিস্যরের কি এল গেল? উনি ঘণ্টা পড়তে না পড়তেই একেবারে হাজির!”
“আচ্ছা, মেজদিস্যরকে একদিন বললে হয় না!”
“কে …
“দু’টো ক্লাসের ফাঁকে মিনিট পাঁচেকও যদি সময় না পাওয়া যায়, কীরকম বাজে লাগে বল তো!”
“আমাদের বাজে লাগলে মেজদিস্যরের কি এল গেল? উনি ঘণ্টা পড়তে না পড়তেই একেবারে হাজির!”
“আচ্ছা, মেজদিস্যরকে একদিন বললে হয় না!”
“কে …
শিউলি ছড়ানো শিশির ভোরে
হিমের পরশ মাখা,
স্নিগ্ধ বাতাসে মৃদুমন্দে দোলে
কাশফুলেরা একা।
শুভ্র শারদপ্রাতে
মর্ত্যে আসেন উমা,
মুখরিত আকাশ বাতাস
তার নেইকো উপমা।
ত্রিভুবনে সাজো সাজো রব
আনন্দময়ীর শুভ আগমনে,
পদধ্বনিত হয় বিশ্বভূবন
পটমণ্ডপদ্বারে মায়ের …
“আমাকে একটি কবিতা দিও।”
একটি মেয়েলি কণ্ঠ ভেসে এল কাজলের কানে। সে লজ্জায় পিছনে তাকাতে পারেনি। মনে মনে সে ভাবে কে এই মেয়েটা? কি করে জানল, যে সে কবিতা লেখে? মাত্র চারদিন সিলেটের আকিলপুর গ্রামে কাজের …
শূন্যতার শূন্যতম গর্ভে
আমি এক জন্মহীন ভাস্কর
নিজের ছায়াকেই খনন করে চলি
গাঁইতি আর কোদাল দিয়ে।
রক্ত ঝরে না
জেগে ওঠে শব্দহীন এক প্রত্নপ্রশ্ন
যার ব্যুৎপত্তি আজও অনাম্না।
ছেনি নয়
ব্যবহার করি বিস্মৃতির আলোকছায়া
হাতুড়ি নয়…
দমক হাওয়া চমক দিয়ে ছুটে বেড়ায় কাঁপিয়ে ভূমি-
গাছে পাতায় ঘরের চালে ডাক দিয়ে যায়
‘আমার তুমি’।
কানের পাশে ফিসফিসানি লোকের মুখে কানাকানি-
বাসের স্টপে পাড়ায় পাড়ায় রোদে ছায়ায়
জানাজানি-
নদীর বাঁকে আটকে থাকে সোহাগ ভরে…
হে মহান!
তব বান্দা অগণিত,
তবু আমার মত অপরাধী নাই।
ক্ষমা চাই শুধু, তড়িৎ নাহি চাই।
এ জগতে নিকৃষ্ট এক জীব তোমার।
তবু করনি কভু তব দয়া হতে বাহার।
শুনিয়াছি, তুমি থাকো অতি নিকটে,
গোনাহগার প্রাণের …
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানুষ হিসাবে কেমন ছিলেন, তা নিয়ে গত একশো বছর বিস্তর আলোচনা হয়েছে। আপামর বিশ্ববাসী তথা সমগ্র বাঙালির কাছে তিনি যে বিশেষভাবে আলোচিত, এ’কথা অস্বীকার করবার উপায় নেই। অন্য কোনও বাঙালি কবি-সাহিত্যিকদের নিয়ে এত চুলচেরা …
ভোর বেলার ঐ শুনে
মুগ্ধ হয়ে রই
পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর ধ্বনি
আজানকে আমি কই
ঘুমের চেয়ে নামাজ উত্তম
জেনে রেখ ভাই
ঘুম থেকে উঠে সবাই
মসজিদে যাই
চলো মসজিদে যাই
পাচঁ ওয়াক্ত আজানেই শুনি
আল্লাহ মহান…
ক
আমার জন্ম হস্তিনাপুর
এবং আমি এক নীচ ভিখারি
উপোসী কুকুর।
দেয় যদি কেউ টুকরো মাংস
আমি চুপ হারামখোর-
চোখের সামনে দেখি ধ্বংস!
খ
যখন তুমি অর্ধোলঙ্গ রজঃস্বলা
কামোন্মত্ত দুঃশাসন
বেশ্যা, বেশ্যা! আয়, ঊরুতে বোস্
উল্লসিত …
ধোঁয়াহীন চিতার সারি
পোড়া কাঠের স্তূপ,
মানুষ আর জঞ্জালে পেটভরা কূপ।
আগুনের শিখা থেকে কোনক্রমে বেঁচে
কিছু স্নেহের হাতে গড়া গৃহস্থালী,
স্বার্থপরের আঁখি তাকিয়ে পোড়া বাড়ির পানে।
সতেজ দেউল হারিয়েছে প্রাণ কার হাতের টানে?
দু’দিন আগেও …
স্বপ্নরা বিনা টিকিটে আসে শিয়ালদা লোকালে
অসহায় টিটিরা ছোটে এপাশ ওপাশ
অনেক অনেক পরে উত্তরপুরুষের হাতে
ছিঁড়ে যাবে গতানুগতিকতার নাগপাশ।
বিনিমাসি তোমার শাড়ির আ়চলে মুছে নেয়
নন্দিতা ঘাম, হামেশাই, স্বপ্নরা মুচকি হাসে
পোটোম্যাক টেমসের ভাসমান নৌকায় …
সভ্যতার জন্ম দিতে-দিতে-
নারী…
আলোকময় উঠান-
ভরেছে অন্ধকার,
চৌচির হতে হতে –
হাতে নিয়েছে ভার,
তবু নিঃস্ব,
সকল পারাবার।
ভূলুণ্ঠিত… বিবস্ত্র…
শুষ্কতা মেখেছে…
ইন্ধন এনেছে অহরহ,
রাত্রির কালো মোছাতে মোছাতে –
নিংড়ে দিয়েছে সহস্র জ্বালা,
তবুও …
মাসিক দীপায়ন প্রতিযোগিতা
