লেখক : সৈয়দ নাজিম উদ্দীন
রক্ষে নেই! অন্তত রাতদিন যে লড়াই, মনের মাঝে যে উপাসনালয় তা বারবার ভেঙে যায়। যে প্রভু ও প্রকৃতি পরম যত্নে সাজিয়েছি অভিনব আকাশের মত, মেঘের মত, নদীর মত, ঝর্ণার মত, সেইসব এখন কেবলই ধূলিকণা। কিন্তু কী উৎস ও হেতু? যে মানুষের মাঝে আমি স্রষ্টাকে লালন করি, তা কেন ইবলিশে রূপান্তরিত হয়? পৃথিবীর সবকিছুই পণ্য। সবকিছুই বেচাকেনা যায়। নারী ও পুরুষও ভিন্ন নয়। যে প্রেম-ভালবাসা মনের গহীনে পরম যত্নে সাজানো, সে নদীর ঢেউের মত সব কিনারা ভেঙে দেয়। সব খোদার ঘর ভেঙে দেয়।
স্ট্রাগল ও জীবন! এর মাঝে এক ব্যর্থ সমীচীন। দূরের পথ একেবারে ঝাপসা। তবুও বাঁচবার কী আপ্রাণ চেষ্টা। এই নিরন্তর কালবেলা যেন খোঁচা মেরে দেখিয়ে দেয় দুই পা এগোলেই মৃত্যুর সান্নিধ্য। মুহূর্তেই সবকিছু শূন্য হয়ে উঠে। পরিধি বেড়ে চলে, বেড়ে চলে। একদিন ঘুরে ফিরে নিস্তেজ ও নিষ্ফল করে চলে যাওয়া দূর অজানা কোন অন্ধকার জগতে। এই মন ও মসজিদ, মন্দির, মানুষ ও নারী কোথায় রবে? কীভাবে রবে পৃথিবীর অন্তরীক্ষে? অর্থের হলফনামায় সবকিছু চড়া মূল্যে বেড়ে যাবে? যেখানে বাঁচবে না কেউ কান্না, ভীষণ বিষাদ ও দুঃখে।
লেখক পরিচিতি : সৈয়দ নাজিম উদ্দীন
তিনি একজন দুঃখবোধ ও বিষাদের কবি ও লেখক। চরম শূন্যতা ও একাকীত্ব থেকে তিনি লিখেন একাধিক কবিতা ও ছোট গদ্য। হতাশা ও মৃত্যু তারণা ইত্যাদি সাধারণত তিনি লিখেছেন নানান ভাবনা।

