নরাসুরমর্দিনী
লেখক : বিপ্লব নসিপুরী
সামনে সোজা রাস্তা পেয়ে জোর গতিতে চার বক্রাকার পায়ে এগিয়ে চলেছে এসইউভি। পুজোর আগে সব মিটমাট। আর হবে নাই বা কেন, যার হাতে কড়ি তাকে কে পরাবে দড়ি? সবুজ সঙ্কেত পাওয়ার পর আজ বেরিয়েছিল ওরা। ওরা …
আমাদের সাইটে নিয়মিত নানা লেখা প্রকাশিত হয়। তার মধ্যে বিশেষ কিছু উল্লেখযোগ্য লেখা থাকে যা সম্পাদকমণ্ডলীর ভাল লাগে আর আমাদের বিশ্বাস পাঠকেরও ভাল লাগবে। সেই সমস্ত লেখা সহজে খুঁজে পেতে ‘সম্পাদকমণ্ডলির পছন্দ’ বলে এই বিভাগটি বানানো হল।
সামনে সোজা রাস্তা পেয়ে জোর গতিতে চার বক্রাকার পায়ে এগিয়ে চলেছে এসইউভি। পুজোর আগে সব মিটমাট। আর হবে নাই বা কেন, যার হাতে কড়ি তাকে কে পরাবে দড়ি? সবুজ সঙ্কেত পাওয়ার পর আজ বেরিয়েছিল ওরা। ওরা …
আঁধারের বুক চিরে
পাগলিনী ছুটছে-
সে জানে না তার গর্ভে রক্তকল্প ছাপ,
কলঙ্ক কি তার হুঁশ নেই,
যে পাশবিকতা তাকে উন্মুক্ত করেছে তাদের কী বলে সম্বোধন করতে হয় তার জানা নেই,
সে কেবল হাসে,
দুঃখ-কষ্ট-বেদনার কোন …
ধুর, আজকাল আর কবিতা-টবিতা পড়তে ভাল লাগে না। কোত্থেকে লাগবে বাওয়া? আজকাল কি কবিতার আর সেই মজাটা আছে? সব একেবারে হাওয়া। একদল নাম-কা-ওয়াস্তে ইম্প্রেসনিস্ট আর তথাকথিত আঁতেলদের চাপে আস্তে আস্তে কবিতার সৌন্দর্য্যটাই তো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। …
০১: ঠুনকো
ঠুনকো করে রাখি নিজেকেই লেখার খাতায়-
নিশ্চুপ পড়ে থাকি যেন বা অক্ষরের হত্যাদেশে।
অকপটে দেখি শূন্যরা ঠেস দিয়ে বাতাসের গায়
উড়ে আসা পাখির বিকেল খায় ঝাঁপিয়ে শেষে।
অবশেষ পড়ে থাকে, হাড়ে হাড়ে বেদুইন …
হেমন্তের সন্ধ্যায়,
নদী যখন অনুরণিত
নিঃসঙ্গ শঙ্খচিলের ডাকে
তখন
আমি দেখি
তোমার চোখ পানে চেয়ে
এক অচেনা আলো
যেথা
জোনাকিরা রাত্রি জাগে।
এই বালুকাবেলায়,
সময় যখন শেষপ্রান্তে
সূর্য তোমার
রক্তিম শাড়ির আঁচল,
স্নিগ্ধ বাতাস তোমার নিশ্বাস;…
কবি জীবনানন্দের কাব্য সাধনায় কখনও প্রকৃতি মানবীয় সত্ত্বায় উপস্থিত হয়েছে, আবার কোথাও প্রেমকে প্রকৃতির সঙ্গে মিশিয়ে কবোষ্ণ ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করে ঢেলে দিয়েছেন বাংলার আকাশে-বাতাসে। বাংলাদেশের প্রকৃতির মধ্যে দোয়েল, ফিঙে, মাছরাঙাদের সঙ্গে তিনি তাঁর প্রেয়সীর উপস্থিতি …
কোথাও শঙ্খ, কোথাও ঘণ্টাধ্বনি, কোথাও আজান।
চাওয়া পাওয়ার টানাপোড়েনে বোনা
এই পৃথিবীর ইজেলে, ছবি আঁকে মানুষ।
উত্তরে ঘর ভাঙে, দক্ষিণে ফুরোয় ছুটির কারুকাজ,
লাস্যে থাকুক সেলিব্রিটি!
এই যে যন্ত্রণা-অপেক্ষা-উপেক্ষা নিয়ে সাপলুডোর চৌখুপী,
কেউ মাথায়, কেউ …
আমার চারপাশ জুড়ে অস্থিরতা
চেনা রঙ অচেনা হয়ে উঠেছে
ক্যানভাস ধূসরতায় পরিপূর্ণ
ছবিগুলো বড় বেমানান লাগছে।
অবয়ব ঘষা কাঁচে অস্পষ্ট
জটিল আবর্তে ঘেরাটোপে বন্দী
সময়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে
রুদ্ধ দ্বারের আড়ালে কথা ভেসে আসছে
ষড়যন্ত্র নিঃশব্দে …
আর কী কী ভাঙবে আমাদের?
স্বপ্ন ভেঙেছে তো অনেক আগেই;
হৃদয় ভেঙেছে যখন, আমার হাতে লেগেছিল
ফুলেদের অর্থহীন অপমৃত্যু।
বিশ্বাস ভাঙতে দেখেছি,
এখন বন্ধুত্ব করতেও ভয় হয়
জানি সেখানেও এক ভাঙন অপেক্ষা করে আছে।
আমি ইতিহাসকে …
বুকের ভেতর চাপা শতাব্দীর স্তব্ধতা,
রুদ্ধ কণ্ঠে জমেছে ক্ষুধার চিৎকার, নীরব আর্তনাদ,
প্রাণী পরিণত যন্ত্রে, অনুভূতি বিলুপ্ত অঙ্কের খাতায়,
শ্রমের বিনিময়ে লুট আত্মা, নিঃশ্বাসে জমাট বাঁধা ক্ষোভ
ধ্বংসস্তূপের নিচে অপেক্ষমাণ বিস্ফোরণ।
ক্ষোভ ক্ষণিক ঝড় নয় জমাট …
দর্পণের সামনে দাঁড়ালে একটি নীল আলো এসে পড়ে তোমার মুখের ডান দিকে।
আমি আশ্চর্য হয়ে দেখি সেই আলো একটি অধিবৃত্তের বাঁ দিক পিছনে ফেলে অস্বীকার করছে নক্ষত্র অস্তিত্ব!
তবু সেই অস্তিত্বের সঞ্চার পথ অধিকারে রেখে …
তাঁর জন্ম হয়েছিল এক নৈষ্ঠিক ব্রাহ্মণ পরিবারে। তাই নিজেদের ছোটখাট জমিদারির দেখভালের সঙ্গে সঙ্গে ছেলেবেলা থেকেই তিনি শাস্ত্র পাঠ করেছিলেন। সেই সূত্রেই পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন সংস্কৃত ভাষা এবং সাহিত্যে। পরবর্তী সময়ে তিনি ইংরেজি ভাষাতেও যথেষ্ট …
মাসিক দীপায়ন প্রতিযোগিতা
