খেলা
কবি: নির্মাল্য মণ্ডল
বারবার পড়ন্ত বেলা, পশ্চিমে ঢলে পড়া সূর্য
আর নারীর কনে দেখা আলোয় গোধূলি লগন আসে
যতনে সাজিয়ে রাখা শাড়ি খুলে রোদে মেলে ধরা
নিজস্ব উচ্ছ্বাস। আমার সম্মুখে শুধু ধুলো ও বাতাস
উষ্ণ আপ্যায়নের আড়ালে বিজ্ঞাপনী প্রচারের কৃতকৌশল…
বারবার পড়ন্ত বেলা, পশ্চিমে ঢলে পড়া সূর্য
আর নারীর কনে দেখা আলোয় গোধূলি লগন আসে
যতনে সাজিয়ে রাখা শাড়ি খুলে রোদে মেলে ধরা
নিজস্ব উচ্ছ্বাস। আমার সম্মুখে শুধু ধুলো ও বাতাস
উষ্ণ আপ্যায়নের আড়ালে বিজ্ঞাপনী প্রচারের কৃতকৌশল…
বাবা আজ কাজে যায় না অনেক দিন।
আমার আর ভাইয়ের স্কুলও বন্ধ অনেক দিন।
বাদাম গুলো আমি আর ভাই ভাগ করে খেয়েছি,
ঝাল মটর গুলো আমি একা, খুব ঝাল তো তাই ভাই কে দিই নি ।…
দুঃখ ছিল। আনন্দ ছিল।
বনপথের কষ্ট সাধ জাগাতো…
মাদকের কোনো বিকল্প ছিল না।
ঘুমঘোরে লোক দেখানো চুপকর্ম…
হাটে গিয়ে —
মাংস বেচে দিন চলত প্রেমজ সুখে।
মঙ্গলকাব্যের নায়িকা…
মাটির গর্তে আমানি জমিয়ে রা।।।
এটাই জানতাম…
লেখক পরিচিতি: …
উড়ন্ত মেঘচিল
আয়নায় তিন-জ পেরেকের দৃষ্টি
ভুরুর ডালে বসে একটা দাঁড়কাক
সকাল থেকে ডেকেই চলেছে
কানে কানে নালিশ জানিয়েছিল যে মেয়েটা তার শরীর মোমবাতির মতো গলে পড়ছে আমার ডান গাল বেয়ে
আর এখন আমার ঠোঁটের ওপর সেই …
একটি পাখির ডাক ও ভোর
কোলাহলে দিনের পতন শুরু
দূরে শ্মশানে শব, নীরবতা
আগুনের চিৎকার ওড়ে
বিষণ্ণ তুলো আর মহাকালের আস্তানা
তোমার চোখের পাতায় ঘুম
কুহকের রোদ, জুঁইফুল
তবু পাখির ডাক — নদীর স্রোত
ক্ষয়ে যাওয়া প্রত্ন …
ইচ্ছেপোশাক, চাঁদ রঙের সন্ধে
যখন একা লাগে
নিজেকে উড়িয়ে দিই
ফুরিয়ে দিই…
আর কখন আমার
কথাজন্ম
টুপ করে গিয়ে বসে পড়ে
তোমার ডিপ ইউয়ের নীচে…
তুমি না-জেনেই ভাসিয়ে দাও সব!
তোমার চুলের ডগায় লেগে থাকা
অল্প-একটু স্বপ্নজল …
প্রাণবন্ত চঞ্চল মেয়েটা আজ যেন কেমন
বড্ডো চুপচাপ হয়ে গেছে।
আজ সে আর হাসে না, ছোটে না,
গলা জড়িয়ে ধরে অভিমানী চোখে কাঁদে না।
সাত সমুদ্র তেরো নদী পেরিয়ে সাহেব যখন এসেছিলো তার কাছে —
তখন সে …
বেজন্মা শব্দটার মুখে কালি লেপেছি আমি —
জন্মটাই বাস্তব, লৌকিক । জন্মদাত্রী নিত্য, সত্য।
বাকিটা মুখোশের ও ভাষার অনৈতিক কারসাজি।
সোনাগাছি’র সোনা’টা মুছে লিখেছি — মাগাছি
মা’য়েরা দাঁড়িয়ে পারিজাত হাতে বেশ্য বাবাদের জন্য
ওদের শরীর থেকে ছেঁকে …
দু’চাকার বাইকটাকেই ভেবেছিল উড়োজাহাজ
হরদম চালাতে লাগল দু’দিকে দুটো ডানা মেলে
উচ্চারণ না-করে বই পড়ার মতো
ঠিক টপকে যেতে লাগল রাস্তার বাম্পারগুলো
হতাশা তখন কোথায় ?
সে তো উড়ে গিয়েছে ফিফথ্ গিয়ারে
বইগুলোকে তখন মনে হতে লাগল…
কখনও দুপুর আসে
শিকারী বিড়ালের খিদে নিয়ে,
চুপিসাড়ে খেলার সাথী হয়।
অতৃপ্ত শরীরের খসে আঁচল,
অচেনা আনন্দের প্রতিশ্রুতি
ভাসায় সোহাগ ভেলায়।
দুপুরের বুকে লুকানো নিষিদ্ধ ফলের
বিষণ্ণ বিস্বাদে অবসন্ন দেহ,
ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়ে থাকে
খোলসহীন পুতুলের মতো।…
অবকাশ চাইতাম প্রতিদিন একসময়,
আজ সেই অবকাশই যেন বাধা।
দিন দিন হাঁপিয়ে উঠছি।
রাতের অবকাশ এখন
সারাদিনের অবকাশে পরিণত।
তোমার আমার সারাদেশের ঘরে
শুধুই অসুস্থতা হাসে।
নিশ্চিত ঘুম সময় পায় না
ভাবে আবোলতাবোল সারারাত!
কোথা হতে আসলো…
দুর্গতদের ত্রাণের মালপত্র মাঝপথে বেচে দিলেও
ছাড়া পেয়ে যাবেন
যদি আমার লোক হন।
যদি আমার লোক হন
দেড় বছরেই দ্বিগুণ টোপ দিয়ে
জনগণের কাছ থেকে
তুলুন না যত খুশি টাকা।
ফাঁকা বাড়ি পেয়ে দিনে-দুপুরে দল বেঁধে …
মাসিক দীপায়ন প্রতিযোগিতা
