উলু আর ভুলু খ্যাপা
লেখক : ইয়াসেফ মোহাঃ রিয়ান
শীত নামলেই উলু খ্যাপা বেরিয়ে পড়ে—
কম্বলের খোঁজে, নিজের জন্য নয়,
ওই যে সারাদিন ডো-ডো করে ঘুরে বেড়ায় সাথে, ভুলু !
গত শীতে মা-মরা ঠাণ্ডায় হিম নিথর
পড়েছিল রাস্তার ধারে ছানাটা।
নির্দয় গাড়ির ধাক্কায় পড়েছিল …
আমাদের সাইটে নিয়মিত নানা লেখা প্রকাশিত হয়। তার মধ্যে বিশেষ কিছু উল্লেখযোগ্য লেখা থাকে যা সম্পাদকমণ্ডলীর ভাল লাগে আর আমাদের বিশ্বাস পাঠকেরও ভাল লাগবে। সেই সমস্ত লেখা সহজে খুঁজে পেতে ‘সম্পাদকমণ্ডলির পছন্দ’ বলে এই বিভাগটি বানানো হল।
শীত নামলেই উলু খ্যাপা বেরিয়ে পড়ে—
কম্বলের খোঁজে, নিজের জন্য নয়,
ওই যে সারাদিন ডো-ডো করে ঘুরে বেড়ায় সাথে, ভুলু !
গত শীতে মা-মরা ঠাণ্ডায় হিম নিথর
পড়েছিল রাস্তার ধারে ছানাটা।
নির্দয় গাড়ির ধাক্কায় পড়েছিল …
আমার বিশ্বাস তুই পারবি।
অনেক অচেনা পথ হাঁটবার পরেও
কোনদিন এভাবে ভেঙে পড়তে দেখিনি তোকে।
তবে কি ভালোবাসার ছাদে ঘুণ ধরেছে তোর?
জল পড়ছে চুঁইয়ে চুঁইয়ে বুকের উপর?
নিজেকে একটু সামলে নে। বেরিয়ে এসে দেখ
তোর …
তুই বড় অবাধ্য, তুই ভুলেছিস তোর ‘অওকাত’;
কোন আক্কেলে হাত তুললি ঠাকুরদের গায়ে?
না হয় বলেছে তোকে অপবিত্র,
না হয় রেখেছে ফেলে আস্তাকুঁড়ের মত,
না হয় মেরেছে ঢিল,
তাই বলে তুই পাল্টা দিবি জবাব?
কি দুঃসাহস …
(অন্তিম পর্ব)
৪.
‘আলোক বাজার’ পত্রিকার অফিস সরগরম। প্রধান সম্পাদকের ঘরে উপস্থিত সকলের চোখেমুখে উত্তেজনা আর উদ্বেগ ফুটে রয়েছে। ডেস্কের ওপর পেনড্রাইভটা পড়ে আছে, পাশে ছোট্ট চিরকুট, “প্রকাশ করো। সত্যি …
(প্রথম পর্ব)
১.
রাত এখন গভীর। শহরতলির এই অংশটা মূল শহরের তুলনায় অজ পাড়াগাঁ বললে বাড়িয়ে বলা হবে না। রোহান সেরকমটাই ভাবে। সন্ধ্যা ঘন হতেই যথারীতি অধিকাংশ বাড়ির আলো নিভে গিয়েছে। গুটিকয়েক সড়কবাতি টিমটিমিয়ে জ্বলছে। ওগুলো …
বলেছিলেন ঋত্বিককুমার ঘটক। এরকম অকপট স্বীকারোক্তি তাঁর সমসাময়িক কোনও চিত্রপরিচালক করেছিলেন বলে তো মনে পড়ে না। যে কয়েকজন চলচ্চিত্র পরিচালক বাংলা চলচ্চিত্র তথা ভারতীয় চলচ্চিত্রে তাঁদের অনন্য অবদানের জন্য বিখ্যাত, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন ঋত্বিক ঘটক। …
নিস্তব্ধতার স্রোতে ভেসে গিয়েছি বিচ্ছিন্নতার দ্বারপ্রান্তে
অবিরত পদচারণ আর একাকিত্বের গন্ধমাখা ঘরে
নিজের নিঃশ্বাসের শব্দ শুনতে পাচ্ছি
সামনে খোলা খাতা, কাগজপত্র… টেবিল-চেয়ার
লিখতে ইচ্ছে করছে না কিছুই আর
দমবন্ধ হয়ে মৃতপ্রায় সৃজনের বীজ
অঙ্কুরিত চারার স্বপ্নের …
অনন্ত যদি একটি বিন্দুতে আসে
তার শীর্ষ চূড়ায় এঁকে দিও অপরাজিতা
হাতে তুলে দিও পদ্ম কোরক
যাওয়া আসার সে পথে আলোকে
স্বভাবতই জেনো – চতুর্থ চক্রের নামে
তাই হাতে না হয় নাই নিলে
বর্ণমালার সব …
সামনে সোজা রাস্তা পেয়ে জোর গতিতে চার বক্রাকার পায়ে এগিয়ে চলেছে এসইউভি। পুজোর আগে সব মিটমাট। আর হবে নাই বা কেন, যার হাতে কড়ি তাকে কে পরাবে দড়ি? সবুজ সঙ্কেত পাওয়ার পর আজ বেরিয়েছিল ওরা। ওরা …
আঁধারের বুক চিরে
পাগলিনী ছুটছে-
সে জানে না তার গর্ভে রক্তকল্প ছাপ,
কলঙ্ক কি তার হুঁশ নেই,
যে পাশবিকতা তাকে উন্মুক্ত করেছে তাদের কী বলে সম্বোধন করতে হয় তার জানা নেই,
সে কেবল হাসে,
দুঃখ-কষ্ট-বেদনার কোন …
ধুর, আজকাল আর কবিতা-টবিতা পড়তে ভাল লাগে না। কোত্থেকে লাগবে বাওয়া? আজকাল কি কবিতার আর সেই মজাটা আছে? সব একেবারে হাওয়া। একদল নাম-কা-ওয়াস্তে ইম্প্রেসনিস্ট আর তথাকথিত আঁতেলদের চাপে আস্তে আস্তে কবিতার সৌন্দর্য্যটাই তো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। …
০১: ঠুনকো
ঠুনকো করে রাখি নিজেকেই লেখার খাতায়-
নিশ্চুপ পড়ে থাকি যেন বা অক্ষরের হত্যাদেশে।
অকপটে দেখি শূন্যরা ঠেস দিয়ে বাতাসের গায়
উড়ে আসা পাখির বিকেল খায় ঝাঁপিয়ে শেষে।
অবশেষ পড়ে থাকে, হাড়ে হাড়ে বেদুইন …
মাসিক দীপায়ন প্রতিযোগিতা
