রাত কত হ’ল?
লেখক : রাজীব চক্রবর্ত্তী
রাত কত হ’ল?
এ প্রশ্ন যেন পৃথিবীর আলো না দেখা মৃত এক ভ্রূণ,
ভূমিষ্ঠ হওয়ার কথা ছিল যাদের হাত ধরে
তারা আজ রোদ্দুর মাপে অন্ধকারে।
দিনের আকাশও মেঘে ঢাকলে অন্ধকার হয়,
এই অজুহাতে
হিসেবি নৌকার নাবিকেরা…
আমাদের সাইটে নিয়মিত নানা লেখা প্রকাশিত হয়। তার মধ্যে বিশেষ কিছু উল্লেখযোগ্য লেখা থাকে যা সম্পাদকমণ্ডলীর ভাল লাগে আর আমাদের বিশ্বাস পাঠকেরও ভাল লাগবে। সেই সমস্ত লেখা সহজে খুঁজে পেতে ‘সম্পাদকমণ্ডলির পছন্দ’ বলে এই বিভাগটি বানানো হল।
রাত কত হ’ল?
এ প্রশ্ন যেন পৃথিবীর আলো না দেখা মৃত এক ভ্রূণ,
ভূমিষ্ঠ হওয়ার কথা ছিল যাদের হাত ধরে
তারা আজ রোদ্দুর মাপে অন্ধকারে।
দিনের আকাশও মেঘে ঢাকলে অন্ধকার হয়,
এই অজুহাতে
হিসেবি নৌকার নাবিকেরা…
সম্প্রতি, ২২শে নভেম্বর ব্রাজিলের বেলেম শহরে শেষ হ’ল কনফারেন্স অফ দ্য পার্টিজ (COP 30)। কথা ছিল ২১শে নভেম্বরে শেষ হবে, কিন্তু শেষ দিন ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডের কারণে আলোচনার জন্য একদিন সময় আরও বাড়ানো হয়। এই …
কাজলের নামটা যেন এক অশুভ পূর্বাভাসের মতই তার জীবনের সঙ্গে জুড়ে গিয়েছিল। জন্মের আগেই ঠাকুমা রায় দিয়েছিলেন, “মেয়েটা কুচকুচে কালো হবে।” সেই নিকষ কালো রংটা শুধু তার ত্বকেই থাকেনি, মিশে গিয়েছিল তার নসিবের প্রতিটি ভাঁজে।
শৈশবেই …
বুকের পাঁজর চিরে নামে এক হৃদ-রক্তিল নদী,
যেখানে আমরা ডুবে মরি কোন এক মায়া-অবলুপ্তিল নিরবধি।
রণক্ষেত্রের ধুলোয় ভাসে শত শহীদের অশ্রু-বীজিল দীর্ঘশ্বাস,
সভ্যতা আজ এক কংক্রিট-কঙ্কালিল শ্মশান, যেখানে মানুষ বড়ই তটস্থ-ত্রাস।
তোমার চোখে ছিল এক নীলিম-জাদুল …
তোমার কাছে চুপচুপে একটা শুধু রাত চেয়েছিলাম –
নিভাঁজ নির্মদ নির্মেদ একটা রাত – যে রাতের যোনিতে ঝরে পড়বে
উত্তপ্ত গ্রহের জমাট বেঁধে থাকা অপ্রশমিত আগুনের যত ঔরস –
ট্রম্সোর মত সেখানেও টানা আধ-শো রাত
অসূর্যম্পশ্যা …
মহাশূন্যে অজস্র দহনভঙ্গির ভূগোল,
দীপ্তির ভিতর জন্মে অগ্নিপীঠের স্মৃতি,
চিরন্তন আলোয় অক্ষয়।
ঘূর্ণায়মান রক্তছাপ পাঁজরে বিশুদ্ধ,
দরদী হৃদয়ের ছন্দে ইতিহাসের প্রাচীন শিখা,
গড়ে মানবতার ভজন।
চেতনা ধ্বনিত অগ্নিস্বর কাঠগড়ায়,
কান্নায় ভেজা পথ,
প্রতিবাদে নির্বিকালের দিকদর্শী শপথে …
আজ আবার লিখতে বসি—একই টেবিল, একই জানালার আলো, একই শব্দের ভিতর ঢুকে পড়া এক টুকরো সময়। বাইরে ৩রা জানুয়ারির পূর্ণিমা ধীরে ধীরে নিজের উপস্থিতি জানাচ্ছে। ফ্ল্যাটের নিচে মন্দিরে ঘণ্টা আর কাঁসরের শব্দ ভেসে আসছে—ধাতব, অনড়, বহু …
আকাশের দিকে হাত বাড়িয়ে
কথা বলতে গেলে
ছন্দ আটকে যায় চোদ্দ অক্ষরে
থমকে যায় পর্ব।
শুধু থাকে – দিনলিপির কয়েকটা ছেঁড়া পাতা
পূর্বপুরুষরা যে স্বপ্ন রেখে গিয়েছেন
সেখানে ধুলো জমে,
সেই ধুলো সরানোও হয় না …
উপলব্ধির শেষে শান্তি আসলে
কবিতার পাণ্ডুলিপির অক্ষর
ডানা মেলে ছন্দের আকাশে
তিন ভুবন দূরে দাঁড়িয়েও
দেখা যায় সেই উড়ান
তবু পদ্মের পাপড়ি ছিঁড়ে ছিঁড়ে
পৌঁছতে হয় অন্দরমহলে
সেই অন্দরমহলেই সুখের বৃষ্টি
আমি সেখান থেকেই চলে …
‘যদি তুমি না এ গান কোনোদিন শোনো, কেউ শোনে বা না শোনে কি আসে যায়’ – শ্যামল গুপ্ত।
‘শুধু তোমারই জন্যে সুর তাল আর গান বেঁধেছি, এর আর কোনো নেই প্রয়োজন’ – সলিল চৌধুরী।
‘তুমি একজনই …
অনেকদিন দেখিনি তোমায় তখন সেই অচেতনকাল
ঊষার তমসায় নিঃশব্দে এসে প্রতিবাদহীন ছদ্মরাক্ষস
গুটি গুটি পায়ে উঠোনে মেলা পরিশ্রমের সোনালী ধান
একটু একটু করে গ্রাস করছিল রক্তলাল সূর্য উত্তাল।
এখন আর সে দিন নেই যে শুধরে নেব …
দু’মাস হয়ে গেল। আর মাস সাতেক সময়। ডাক্তারবাবু বলেছেন হাজার তিরিশেক টাকা রেডি রাখতে। মানে মাসে প্রায় হাজার পাঁচেক টাকা। দিনে দেড়শো থেকে দুশো টাকা বেশি কামাতে হবে।
“লাইন এসে গেছে। গাড়ি আগে কর বুম্বা।”
লাইন …
মাসিক দীপায়ন প্রতিযোগিতা
