লাল ফৌজের সুন্দরী মৃত্যুদূত

লেখক: রানা চক্রবর্তী

লাল ফৌজ সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপ্লবাত্মক সমাজতান্ত্রিক যোদ্ধাদের দল যারা ১৯১৮-১৯২২ সালে ছড়িয়ে পড়া রুশ গৃহযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। পরবর্তীকালে এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের জাতীয় পর্যায়ের সামরিক বাহিনীতে রূপান্তরিত হয়। ১৯৩০-এর দশকে লাল ফৌজ বিশ্বের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ সেনাবাহিনীতে পরিণত হয়েছিল। …

একটু শুনবেন!

লেখক: অয়ন মৈত্র

ঠাকুমা যেদিন মারা গেলেন সেই দিন বিকেল থেকে মা কেমন যেন হয়ে গেল। সারাদিন থম মেরে বসে থাকে আর মাঝে মাঝে আমায় ডেকে বলে -“দেখ দেখ মা কেমন হাসছে।” আমি, বাবা কেউই মা’কে বিশ্বাস করাতে পারছিলাম না

কত পাল এল গেল, পঙ্গপাল সেই রয়ে গেল

লেখক: অয়ন মৈত্র

ডিজাস্টার বলতে আমাদের অর্থাৎ ভারতীয়দের চোখে তিনটে অবস্থা বোঝায়- ১. ঘূর্ণিঝড় ২. বন্যা ৩. ভূমিকম্প। বইতে পড়েছি বটে এক পিস আগ্নেয়গিরি আছে আন্দামানের ব্যারেন দ্বীপে কিন্তু ওই খাতায় কলমেই যা আছে। এই ভলক্যানো বাবাজীবনকে নড়তে চড়তে আমাদের …

এই যাঃ! মরে গেল!

লেখক: অয়ন মৈত্র

কেরালার মালাপ্পুরামে পোয়াতি হাতিকে বারুদ ভর্তি আনারস গিফ্ট করা হল, আর সেই আনারস ফেটে বাচ্চা শুদ্ধু হাতি বোম ফট্। চারদিকে একেবারে হাহাকার পড়ে গেল। যেন বিশ্বে এমন আইটেম প্রথম লঞ্চ হল। মানুষ এমনটা পারে কী করে, এই …

আম্রচরিত – শেষ পর্ব

লেখক: রানা চক্রবর্তী

আম্রচরিত – প্রথম পর্ব পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন

আমের চর্চা মোঘলদের পর ইংরেজ আমলেও থেমে থাকেনি। সেই আমলে ভারতের ইংরেজ প্রশাসকদেরও আমের সুলুকসন্ধান নিতে দেখা গেছে। আমাদের দুটি বিখ্যাত আম ‘ল্যাংড়া’ ও ‘ফজলি’র সঙ্গে দুই ইংরেজ …

আম্রচরিত – প্রথম পর্ব

লেখক: রানা চক্রবর্তী

বৈজ্ঞানিক নাম ‘ম্যাঙ্গিফেরা ইন্ডিকা’, সংস্কৃতে ‘আম্র’, বাংলায় ‘আম’, ইংরেজিতে ‘ম্যাংগো’, মালয় ও জাভা ভাষায় ‘ম্যাঙ্গা’, তামিল ভাষায় ‘ম্যাংকে’ এবং চীনা ভাষায় ‘ম্যাংকাও’। আম অর্থ সাধারণ। সাধারণের ফল আম। রসাল বা মধু ফলও বলা হয় আমকে। রামায়ণ ও …

হিবাকুশা

লেখক: রানা চক্রবর্তী

মেয়েটা প্রতিদিন সন্ধ্যায় পার্কে অপেক্ষা করত তার প্রেমিকের জন্য। অফিস থেকে ফেরার পথে ছেলেটি আসত দেখা করতে। কিন্তু দিনটা ছিল ৬ আগস্ট, ১৯৪৫। প্রথমবার ছেলেটি আসেনি। পরে আর কোনও দিনও আসেনি। সেদিন যে মেয়েটির বয়স ছিল ১৭, …

৩০ পেরোলে বিয়ে? নৈব নৈব চ!

লেখক: অয়ন মৈত্র

মেয়ের বিয়ে নিয়ে সব দেশেই মায়েরা বেজায় চিন্তায় থাকে। যত তাড়াতাড়ি বিয়েটা দিয়ে দেওয়া যায় ততই ভালো। চীনেও এই নিয়ম এর অন্যথা নেই। তবে চীনে কোনো মেয়ের বয়স যদি ৩৫ বছরের বেশি হয় তাহলে মোটামুটি ধরেই নেয়া …

Back to Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।