লেখক : রতন চক্রবর্তী
ডেমোক্রেসির অবনমন সূচি এভাবে করা যায় – ডিম-ক্রেসি, মব-ক্রেসি, লুম্পেনোক্রেসি, অটোক্রেসি এবং অন্তিমে ডিক্টোক্রেসি। এই সিরিজটিকে সাদা বাংলায় এভাবে বলা যায় – গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনার পচন ধরলে পতন অনিবার্যভাবেই ডেকে আনে। প্রথমে হেরোদের দুয়ো দিতে দিতে ডিম ছোঁড়া, তারপর ভিড় বাড়িয়ে লাঞ্ছিত করে ধোলাই-পেটাই। এই ভিড়তন্ত্র থেকে উঠে আসে নতুনতর লুম্পেনরাজ। এতে সাহায্য হয় গণতান্ত্রিক মোড়কে স্বৈরাচারী শাসনতন্ত্রের, অতঃপর কার্যত একনায়কতন্ত্রী ব্যবস্থাপনার।
এই স্তরগুলির কথা ভাবতে গিয়ে মনে হ’ল অসম্ভব ধীশক্তি সম্পন্ন বিদ্বান, মার্ক্সীয় দর্শনবাদী, বহু ভাষাজ্ঞানী এক গুপ্তচরের কথা – রিখার্ড জোর্গে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বছর কয়েক আগে তিনি তদানীন্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের গুপ্তচর প্রতিষ্ঠান কেজিবিতে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর প্রকাশ্য পেশা ছিল সাংবাদিকতা। বৈদেশিক সংবাদদাতা হিসেবে তিনি খ্যাতিমান হয়ে ওঠেন জার্মানিতে অবস্থানকালে। তিনি চোখের উপর হিটলারের রাজনীতিতে আগমন, দলগঠন ও উল্কাসম উত্থান লক্ষ্য করে লিখেছিলেন, “শুরুতে ভাবী ফ্যাসিস্ট ‘নাজি’রা লুম্পেনদের নিয়ে দল পাকায়। তারপর সেই দলে জুটতে থাকে প্রাক্তন কিছু সেনা ও পুলিশ অফিসার, প্রশাসনিক প্রাক্তন আমলারা, আসে কিছু ব্যর্থ বা জনপ্রিয়তা হারানো বুদ্ধিজীবী। এরা সাধারণ মানুষের জন্য সামতা প্রচারের ছাউনির আড়ালে উগ্রজাতীয়তাবাদ চালান করে। চিহ্নিত করে দেশের অভ্যন্তরে কল্পিত তথাকথিত ‘দেশ ও জাতিবিরোধী শত্রু গোষ্ঠী’ এবং শত্রু মার্কা ‘আদর্শবাদী রাজনৈতিক পার্টি’, যথা ইহুদি, কমিউনিস্ট, সমাজতন্ত্রী। এই কাজে সাফল্য দেখে দেখে একচেটিয়া পুঁজির সবচেয়ে কুৎসিত অংশ এদের মদত দিতে থাকে।” জোর্গের হুঁশিয়ারি ছিল, এদের সফল হতে দিলে সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠা দূরস্থান, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক অর্জন যতটুকু থাকে, সেটাও বিনষ্ট হবে। একনায়কের সাঙাৎতন্ত্র গড়ে উঠবে। তাই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বাঁচাতেই হবে।
গণতন্ত্রের মূল শক্তি লুকিয়ে থাকে শাসকের নৈতিক সততা এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধার মধ্যে। যখন একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচিত শাসকেরা তাদের নৈতিক অবস্থান থেকে বিচ্যুত হন, তখন সমগ্র শাসনব্যবস্থায় পচন ধরে। শাসকের এই নৈতিক অবক্ষয় কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতা তৈরি করে না, বরং সাধারণ মানুষের মনে বিচারব্যবস্থা ও প্রশাসনের প্রতি গভীর অনাস্থার জন্ম দেয়। এই অনাস্থা থেকেই জন্ম নেয় মব-ক্রেসি বা ভিড়ের রাজত্ব, যেখানে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার এক ভয়ঙ্কর প্রবণতা তৈরি হয়। সাম্প্রতিককালে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে এবং বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে গণপিটুনি, মব ট্রায়াল এবং উন্মত্ত জনতার আইন হাতে তুলে নেওয়ার হিংসাত্মক ঘটনাগুলো এই সত্যকেই বারবার প্রমাণ করছে।
শাসকদের নৈতিক অবক্ষয় বলতে কেবল আর্থিক দুর্নীতিকেই বোঝায় না, এর গভীরতা আরও অনেক বেশি। যখন শাসকেরা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে অপরাধীদের প্রশ্রয় দেন, আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করেন এবং পুলিশ প্রশাসনকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করেন, তখনই নৈতিক অবক্ষয়ের চূড়ান্ত রূপ প্রকাশ পায়। একটি সুস্থ গণতন্ত্রে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা এবং আইনি প্রতিকার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব শাসকের। কিন্তু শাসক যখন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেন, তখন সাধারণ মানুষের মনে এই ধারণার সৃষ্টি হয় যে সাধারণ উপায়ে বা আইনি পথে তারা আর বিচার পাবেন না। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি বা কালচার অফ ইমপিউনিটি সমাজকে এক চরম অরাজকতার দিকে ঠেলে দেয়। মানুষ যখন দেখে যে অপরাধীরা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পার পেয়ে যাচ্ছে, তখন তাদের ভেতরের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এক চরম হিংস্র রূপ ধারণ করে।
এই সামাজিক ও নৈতিক শূন্যস্থান থেকেই মব-ক্রেসির উৎপত্তি ঘটে। মব-ক্রেসি হ’ল এমন এক বিকৃত ব্যবস্থা, যেখানে বিচারক, পুলিশ এবং জল্লাদের ভূমিকা পালন করে এক উন্মত্ত জনতা। এটি গণতন্ত্রের সম্পূর্ণ বিপরীত এক মেরু। গণতন্ত্র যেখানে যুক্তি, সংবিধান এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে চলে, মব-ক্রেসি সেখানে চালিত হয় সাময়িক আবেগ, গুজব এবং অন্ধ আক্রোশের দ্বারা। শাসকের দুর্বলতা এবং নৈতিক স্খলনের কারণে যখন রাষ্ট্রযন্ত্র নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে, তখন সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করার চাবিকাঠি চলে যায় এই হিংস্র ভিড়ের হাতে। ভিড়ের কোন নিজস্ব বিবেক বা বুদ্ধিমত্তা থাকে না, থাকে কেবল ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা। ফলে যে কোন ছোটখাটো ঘটনা বা সামান্য সন্দেহের ভিত্তিতেই মানুষ চরমতম সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করে না।
পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে এই মব-ক্রেসির এক ভয়ঙ্কর চিত্র ফুটে ওঠে। বিগত কয়েক বছরে রাজ্যে চুরির অপবাদ, ডাইনি সন্দেহ কিংবা পরকীয়ার গুজবে গণপিটুনির মত মধ্যযুগীয় বর্বরতা নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে স্থানীয় ক্লাব বা প্রভাবশালী গোষ্ঠীগুলো নিজেদের আইনশৃঙ্খলার রক্ষক হিসেবে ভাবা শুরু করেছে। সালিশি সভার নামে ক্যাঙ্গারু কোর্ট বসিয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় নারীদের ওপর নির্যাতন বা যুবকদের পিটিয়ে মেরে ফেলার ঘটনাগুলো সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। এই ধরনের ঘটনাগুলো ঘটার মূল কারণ হ’ল স্থানীয় স্তরে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা এবং রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ মদত। যখন অপরাধীরা জানে যে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় তাদের সমস্ত অপরাধ থেকে আড়াল করবে, তখন তারা সমাজকে নিজেদের মত করে শাসন করতে শুরু করে।
শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলোতেও এই মব-ক্রেসির বিপদ এক মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, হরিয়ানা এবং ঝাড়খণ্ডের মতো রাজ্যগুলোতে গো-রক্ষার নামে বা ধর্মীয় উসকানির ভিত্তিতে গণপিটুনির অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে। “জয় শ্রী রাম” না বলার কারণে কিংবা স্রেফ সন্দেহের বশে দলবদ্ধভাবে কোন নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া সামান্য কোন গুজবকে কেন্দ্র করে মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়ে আইন নিজেদের হাতে তুলে নিচ্ছে। এই সমস্ত ঘটনার গভীরে রয়েছে এক গভীর রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং শাসকদের নৈতিক সাহসের অভাব। শাসকেরা যখন নিজেদের ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে এই ধরনের উন্মত্ত ভিড়কে কঠোরভাবে দমন না করে পরোক্ষ সমর্থন দেন, তখন মব-ক্রেসি আরও বেশি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
ভিড়ের হামলার এই রাজনীতি আদতে গণতন্ত্রের মৌলিক পরিকাঠামোকে ধ্বংস করে দেয়। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে, যেখানে অপরাধীরও নিজের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকে। কিন্তু মব ট্রায়ালে কোন শুনানির সুযোগ থাকে না, সেখানে সন্দেহই হ’ল অপরাধের চূড়ান্ত প্রমাণ এবং মৃত্যুই হ’ল একমাত্র শাস্তি। এর ফলে সমাজে এক চরম ভীতি এবং অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়। কোন সভ্য সমাজ এভাবে চলতে পারে না, যেখানে একজন নাগরিকের জীবন ও সম্মান আইনি সুরক্ষার পরিবর্তে রাস্তার ভিড়ের মর্জির ওপর নির্ভর করে। এটি প্রকারান্তরে রাষ্ট্রযন্ত্রের চরম ব্যর্থতা এবং শাসকদের নৈতিক দেউলিয়াত্বকেই বিজ্ঞাপিত করে।
এই মব-ক্রেসির বিস্তারের পিছনে প্রযুক্তির অপব্যবহারও এক বড় ভূমিকা পালন করছে। হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক বা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুয়ো খবর বা ভুয়ো ভিডিও মুহূর্তের মধ্যে লক্ষাধিক মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। শাসকেরা বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অনেক সময়ই এই ধরণের ডিজিটাল অপপ্রচার রোধ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে রাজনৈতিক দলের আইটি সেলগুলো নিজেদের স্বার্থে এই ধরনের ভীতি ও ঘৃণা ছড়ানোর কাজ করে থাকে। যখন খোদ শাসক দলের সঙ্গে যুক্ত অংশগুলো এই ধরণের অপপ্রচারে লিপ্ত হয়, তখন সাধারণ মানুষের পক্ষে সত্য-মিথ্যা নির্ধারণ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে এবং তারা সহজেই উন্মত্ত ভিড়ের অংশ হয়ে ওঠে।
শাসকদের নৈতিক অবক্ষয় যখন বিচারব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে, তখন মব-ক্রেসির বিপদ আরও বাড়ে। দেশের আদালতগুলো যখন মামলার পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে থাকে এবং বছরের পর বছর ধরে ভুক্তভোগীরা বিচারের আশায় অপেক্ষা করতে থাকে, তখন মানুষের ধৈর্যচ্যুতি ঘটে। বিচার প্রক্রিয়ার এই দীর্ঘসূত্রিতা সাধারণ মানুষকে দ্রুত বিচার বা অন-দ্য-স্পট জাস্টিস পাওয়ার এক আদিম প্রবৃত্তির দিকে ঠেলে দেয়। মব-ক্রেসি এই আইনি বিলম্বেরই এক ভয়ঙ্কর এবং বিকৃত বাই-প্রোডাক্ট। মানুষ যখন দেখে যে অপরাধ করে বছরের পর বছর জামিনে ঘুরে বেড়ানো সম্ভব, তখন তারা নিজেরাই বিচারকের ভূমিকা অবতীর্ণ হতে চায়, যা সমাজকে এক আদিম অরণ্যরাজ্যের দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
এই বিপর্যয় থেকে মুক্তি পেতে হ’লে সবার আগে শাসকদের নৈতিক পুনরুত্থান প্রয়োজন। রাজনীতিকে অপরাধমুক্ত করা এবং আইনের শাসনকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া অন্যতম প্রধান শর্ত। পুলিশ প্রশাসনকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে হবে, যাতে তারা কোন নেতার মুখের দিকে না তাকিয়ে অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে। গণপিটুনি বা ভিড়ের হামলার ঘটনায় যুক্ত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, তাদের দ্রুত এবং কঠোরতম শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে। শাসকেরা যদি অপরাধীদের আড়াল করার নীতি বর্জন না করেন, তবে এই মব-ক্রেসির আগুন একদিন সমগ্র গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকেই গ্রাস করে নেবে।
একই সঙ্গে সামাজিক স্তরেও এক ব্যাপক সচেতনতা আন্দোলন গড়ে তোলা প্রয়োজন। শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারের মাধ্যমে মানুষের ভেতরের এই আদিম হিংস্রতা এবং গুজবে কান দেওয়ার প্রবণতা দূর করতে হবে। নাগরিক সমাজকে এই মব-ক্রেসির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে এবং এটি যে কোন বীরত্ব নয়, বরং এক জঘন্য অপরাধ, তা বারবার প্রচার করতে হবে। পরিশেষে বলা যায় যে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে হলে মব-ক্রেসির এই কালনাগিনীকে এখনই দমন করতে হবে। আর তার জন্য প্রয়োজন এমন এক রাজনৈতিক নেতৃত্ব, যার মেরুদণ্ড সোজা এবং যার নৈতিক অবস্থান প্রশ্নাতীত, কারণ নৈতিকভাবে বলীয়ান গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাই কেবল একটি সমাজকে মব-ক্রেসির অন্ধকার থেকে সাংবিধানিক আইনের আলোর দিকে নিয়ে যেতে পারে।
সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে গণতান্ত্রিক চেতনাসম্পন্ন সমস্ত রাজনৈতিক শক্তিকে। গড়ে তুলতে হবে প্রগতিশীল নাগরিক সমাজ। এটা পার্টিদপ্তরে বৈঠক করে বা ঘরে বসে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে হবে না। মানুষের দৈনন্দিন চাহিদার জন্য লড়াই আর সামাজিক সংস্কৃতির জন্য সৃজনশীলতার জন্য নানা মাধ্যম ব্যবহার করার সংগঠন গড়ে তুলতে হবে।
লেখক পরিচিতি : রতন চক্রবর্তী
অর্ধশতক সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন। দৈনিক, সাপ্তাহিক বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় চাকরির পাশাপাশি কাজ করেছেন বিদেশি দূতাবাসের কলকাতা তথ্য দপ্তরে। তথ্যচিত্র পরিচালনা করেছেন। লিখেছেন ছোট গল্প, নাটক চিত্রনাট্যও। মার্কসীয় দর্শনে বিশ্বাসী। জন রিডের টেন ডেজ দ্যাট স্যুক দ্য ওয়ার্ল্ড নামে রুশবিপ্লবের দশ দিনের কাহিনি নিয়ে বিশ্বখ্যাত রিপোর্টাজ গ্রন্থ অবলম্বন করে লিখেছেন নাটক অভ্যুত্থান যা ৭৪ জন কুশীলব নিয়ে অভিনীত হয়।

