লেখক : বিজুরিকা চক্রবর্তী
জীবন সে তো এক নিমেষের
কান্না-হাসির রঙ্গ বেশ,
আজকে হঠাৎ কুড়িয়ে পাওয়া,
ক্ষণিক পরেই নিরুদ্দেশ।
তেমনভাবে আঁকড়ে ধরেও
ছাড়তে হবে শেষের দিন,
হিসেব-নিকেশ মিটিয়ে দিয়ে
সাঙ্গ হবে সকল ঋণ।
এই তো সেদিন চোখ মেলে
খুব বুকটি ভরে শ্বাস নিলে,
ছিন্ন করে মাতৃনাড়ি
বাঁচার প্রথম স্বাদ পেলে।
তারই মাঝে শিখলে অনেক,
অনেকটা সে শিখলে না,
অনেক কিছু দেখতে পেয়েও
অনেকখানি দেখলে না।
যতটুকু জানার, শোনার,
জানলে খানিক, শুনলে খুব,
এই পৃথিবীর অপার মায়ায়
মত্ত হয়ে মারলে ডুব।
অনুভূতির চোরা স্রোতে
হারিয়ে গিয়েও ফিরলে ফের,
অভিমানের মিথ্যে মোহে
জড়িয়ে নিলে কষ্টদের।
চাওয়া-পাওয়ার গল্পগুলো
লিখলে বুঝি অন্তরে,
এক নিমেষে হারিয়ে যাবে
সবকিছু ফুসমন্তরে।
থাকবে তখন স্মৃতি কেবল,
হয়তো বা সেও থাকবে না,
মায়ায় গড়া রাজ্য তোমার
কেউ তো ধরে রাখবে না।।
লেখক পরিচিতি : বিজুরিকা চক্রবর্তী
বিজুরিকা চক্রবর্তী, কলকাতা দমদমের, বাসিন্দা। সেন্ট জেভিয়ার'স কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পি.এইচ.ডি ডিগ্ৰী পাওয়ার পর বর্তমানে এন.আর.এস মেডিক্যাল কলেজের এম.আর.ইউ ডিপার্টমেন্টে রিসার্চ-সায়েন্টিস্ট হিসেবে কর্মরত। কবিতা লেখা হঠাৎ করে খুঁজে পাওয়া এক জেদী, একরোখা, অবিচ্ছেদ্য বন্ধু। এখনও যেই বন্ধু বেইমানি করেনি। 🙏

