শিক্ষক দিবস
লেখক: অয়ন মৈত্র
২০ থেকে ৪০ — এই সীমার মধ্যে যাদের রোল হয় স্কুলে,তাদের নাম, সাধারণত কোনো মাস্টারমশাই জানেন না। স্বাভাবিক। এই মহাবিশ্বের কোটি কোটি নক্ষত্রের ভীড়ে কেবল তাদেরই নামকরণ হয় যারা কোনো-না কো্নো গ্রহের খুব কাছে অবস্থান করে। কেবল …
২০ থেকে ৪০ — এই সীমার মধ্যে যাদের রোল হয় স্কুলে,তাদের নাম, সাধারণত কোনো মাস্টারমশাই জানেন না। স্বাভাবিক। এই মহাবিশ্বের কোটি কোটি নক্ষত্রের ভীড়ে কেবল তাদেরই নামকরণ হয় যারা কোনো-না কো্নো গ্রহের খুব কাছে অবস্থান করে। কেবল …
আলো হলো একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ, এটি শব্দ তরঙ্গের মতো নয় যার প্রসারের জন্য কঠিন, তরল বা গ্যাস মাধ্যম প্রয়োজন, এটি শূন্য মাধ্যমেও বিস্তার লাভ করতে পারে। যে মাধ্যমে আলো প্রসার করে সেই মাধ্যমের রিফ্রাক্টিভ …
অবকাশ চাইতাম প্রতিদিন একসময়,
আজ সেই অবকাশই যেন বাধা।
দিন দিন হাঁপিয়ে উঠছি।
রাতের অবকাশ এখন
সারাদিনের অবকাশে পরিণত।
তোমার আমার সারাদেশের ঘরে
শুধুই অসুস্থতা হাসে।
নিশ্চিত ঘুম সময় পায় না
ভাবে আবোলতাবোল সারারাত!
কোথা হতে আসলো…
দুর্গতদের ত্রাণের মালপত্র মাঝপথে বেচে দিলেও
ছাড়া পেয়ে যাবেন
যদি আমার লোক হন।
যদি আমার লোক হন
দেড় বছরেই দ্বিগুণ টোপ দিয়ে
জনগণের কাছ থেকে
তুলুন না যত খুশি টাকা।
ফাঁকা বাড়ি পেয়ে দিনে-দুপুরে দল বেঁধে …
ভারতবর্ষের মতোই সারা পৃথিবীর জুড়ে সমুদ্র তীরবর্তী ভূভাগে প্রচুর নারকেল গাছ জন্মায়। এটা এমনএকটা গাছ যার প্রতিটি অংশ জনজীবনে কোনো-না কোনোভাবে কাজে আসে। এ গাছের পাতা, ফুল, ফল, কাণ্ড, শিকড় সব কিছুই বিভিন্ন ছোট-বড় শিল্পের কাঁচামাল …
ভোরের আলো একটু একটু করে ফুটতে শুরু করেছে। আনুমানিক পাঁচটা বাজে। অনবরত গুলির শব্দে বুমচুমের ঘুম ভেঙে যায়। সে মায়ের পাশ থেকে অতি সন্তর্পণে বিছানা থেকে উঠে পড়ে। সে চায় না এখনই মায়ের ঘুম ভেঙে যাক। পা …
(১)
বাংলায় আড্ডা,
বাংলায় লেখালেখি
সেইখানে গিয়ে আমি
ভাবি শুধু কী যে লিখি
স্বাধীনতা নিয়ে লেখা
কত আগে হল চাওয়া
লেখার সে ম্যুডটাকে
যায়নি-তো বাগে পাওয়া
আজ সকালেতে সেই
ম্যুড যেই দিলো ধরা
স্বাধীনতা নিয়ে ভাবি
যদি …
দ্য ওয়াইন ফ্যামিলি ১ (The Wine Family 1)
(মূল চিত্রের সাইজ – ৪০০০x৩০০০ পিক্সেল, ২.১৭ এমবি)
কালারস অ্যান্ড ওয়াইন (Colours and Wine)
(মূল চিত্রের সাইজ – ৪০০০x৩০০০ পিক্সেল, ৫.০৮ এমবি)
উইথ কাজিনস (With Cousins)
(মূল চিত্রের সাইজ …
হে দেশমাতৃকা!
সাম্য, মৈত্রী, একতা ও প্রগতি—
এই চার সন্তানের দেয়ালা ঘিরে
দেখেছো জননীর অনুভূতি,
স্বাধীনতার কোন এক আঁতুড় ঘরে।
আজ তুমি রিক্ত, অনাবৃত।
সন্তানেরা আজ স্বাধীনতার আবছা অন্ধকারে লুটোপুটি খাচ্ছে রাজনীতির বিষাক্ত স্বার্থের কালিমায়…
হে স্বাধীনতা!…
দীর্ঘ প্রতীক্ষা সংগ্ৰাম আর
কলজে উজাড় করা রক্তে
তোমাকে পেয়েছি স্বাধীনতা।
বুক ভাঙার শব্দে, ফাঁসিকাঠের
ফাঁক গলে তুমি এলে!
তিরঙ্গা পতাকা মুড়ে তোমাকে
সাজিয়ে রেখেছি বুকভরা আশায়–
তোমাকে ছুঁয়ে দেখার খুব লোভ হয়
সুনামীতে ভেসে যাওয়া …
স্বাধীনতা আমি তোমাকে ছুঁতে চেয়েছি ৪৭ এর আগে, ৪৭ এর পরে
এবং আজও।
তোমাকে ছুঁতে চেয়ে –
আমি হারিয়েছি, আমার সূর্য ওঠা ভোর, বৃষ্টি ভেজা বিকেল, আমার ইচ্ছে – অনিচ্ছে, এমনকি আমার অশ্রুও।
৪৭ এর আগে …
সেই কোন জন্ম মুহূর্তে আমি শুনেছিলাম তোমার আহ্বান।
ছিন্ন করেছিলাম মাতৃ গর্ভের বন্দি দশা।
তুমি আমার যুগ যুগান্তরের
বন্ধন মুক্তির দিশা।
তোমার টানে আমি ছিঁড়ে ফেলতে পারি
এ সমাজ-সংসারের মিথ্যে মায়াজাল,
শান্তির অক্লান্ত পারাবত হয়ে পেরিয়ে যেতে …
মাসিক দীপায়ন প্রতিযোগিতা
